বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিনামূল্যে আসল মাষ্টার কার্ড নিয়ে নিন!!

সুবিধাগুলো ০১. ১০০% আসল মাষ্টার কার্ড আপনার কাছে পাঠানো হবে। ০২. প্রায় সকল ওয়েবসাইটে কেনাকাটা করতে পারবেন (যেমন hostgator, namecheap, godaddy, amazon etc)

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, March 13, 2015

রাগ কমানোর সহজ উপায়

আজকাল অনেকেই বলছেন, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।’ কিন্তু ব্যাপারটা তো আসলে কেবল হার–জিতের নয়। রাগের মাথায় আমরা অনেক কথাই বলি, অনেক কিছুই করে ফেলি। মুশকিলটা এখানেই। রাগান্বিত অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক না। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করে মাথা ঠান্ডা রাখাটা জরুরি। বাড়িতেই হোক কিংবা কর্মক্ষেত্রে বা বন্ধুদের আড্ডায়, হঠাৎ রাগ হতেই পারে। আকস্মিক রাগ নিয়ন্ত্রণে নিচের বিষয়গুলো চর্চা করে দেখতে পারেন।
গভীরভাবে শ্বাস নিন
যদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে, তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দম নিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে। আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে। ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠান্ডা মাথায় বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন।
ঠোঁট বন্ধ রাখুন
রাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধ করে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময় ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর। অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁ শব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনের কথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্য ধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে।
চোখ বন্ধ, কানও বন্ধ
রাগের মাত্রা আরও বেড়ে গেলে শুধু ঠোঁট নয়, চোখ আর কানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। এই পরামর্শে মেজাজ খারাপ হতে পারে বটে, কিন্তু এটা সত্যিই কার্যকর। যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন, কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তবে আপনার অভিব্যক্তিতে এমন কিছুই আনবেন না, যা আপনার প্রতিপক্ষকে আপনার মনের ভাব বুঝতে দেয়। আপনি কেবল সাময়িকভাবে দেখাশোনা বন্ধ করে দিন।
একটু হেঁটে আসুন
ঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন, রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগ সামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থল ত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আর না বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটু শান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।
ধ্যান করুন
নিয়মিত একটু সময়ের জন্য মেডিটেশন বা ধ্যান করার চর্চা করুন। এটা আপনার চরিত্রে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। ধ্যানচর্চায় অভ্যস্ত হলে আপনি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে না দিয়েই যেকোনো সময় নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাও সেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে।

Monday, March 9, 2015

কৈশোরে অতিরিক্ত উদ্বেগ

কৈশোরে অনেকেই অতিরিক্ত উদ্বেগে আক্রান্ত হয়। এটা তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক এমনটিই মনে করেন। নিউরন সাময়িকীতে তাঁদের ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আজকের প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় কিশোর-কিশোরীদের ওপর চেপে বসেছে নানা ধরনের উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তা। ক্রমাগত এ রকম উদ্বেগের কারণে তাদের মস্তিষ্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে যায়। যেমন: মস্তিষ্কের রাসায়নিক গ্লুটামেটের রিসেপ্টরের সংখ্যা হ্রাস পায়, স্ট্রেস হরমোনগুলো প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে। এসবের প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের প্রি-ফন্টাল কর্টেক্সে। মানবমস্তিষ্কের ওই অংশ স্মৃতি সুরক্ষা, সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কার্যকর করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন কিশোর-কিশোরীর স্মরণশক্তি বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের ওপর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তারা ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়তে পারে। তাই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এড়িয়ে তাদের সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপনের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে।
সূত্র: এবিসি হেলথ।

Tuesday, December 23, 2014

এ সময়ে ত্বকের যত্ন


শীতের শুষ্ক আবহাওয়া ত্বকের স্বাভাবিক তেলের আস্তরণ শুষে নেয়। ফলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হতে থাকে। বিশেষ করে একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস এবং অ্যালার্জিজনিত রোগে যারা ভুগে থাকেন, তাদের অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং সুস্থদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্য শীতে ত্বকের জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।
গোসল : কুসুম কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময়ে গোসল শেষ করুন। গোসলে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষারীয় সাবান ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরন আনুযায়ী সাবান নির্বাচনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে যারা ভুগে থাকেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে অটামিল বা সি সল্ট বাথ নিতে পারেন।
ময়েশ্চারাইজার : আপনি একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে ভোগেন কিনা ভোগেন, শীতে ত্বক স্বাভাবিক রাখতে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ময়েশ্চারাইজার ত্বকের নিঃসৃত তেল সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং ত্বক মসৃণ রাখে। গোসলের পর পরই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। পোশাক : টাইট ফিট এবং সিনথেটিক পোশাক ত্বককে আরও শুষ্ক ও রুক্ষ করে এবং অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। কাজেই আরামদায়ক এবং প্রাকৃতিক তন্তু দ্বারা তৈরি পোশাক পরিধান করুন। পলিস্টার, লিলেন, নায়লন ইত্যাদি পরিহার করুন এবং কটন, সিল্ক দ্বারা তৈরি পোশাক পরিধান করুন।
হিউমিডিফায়ার : রুমে জলীয়বাষ্প ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। এটির মাধ্যমে রুমের জলীয়বাষ্প ৪০-৬০% এ রাখুন। একজিমা, ইকথাওসিস রোগে যারা ভুগেন, তাদের জন্য হিউমিডিফায়ার ভূমিকা রাখে।
ডা. এমআর করিম রেজা, চর্ম ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ, এশিয়ান জেনারেল হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা

Saturday, December 13, 2014

শীতের শুষ্কতা থেকে রক্ষার উপায়

শীতের হিমেল হাওয়া আক্রমণ করছে আপনার নাজুক ত্বকে। পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের একটা ইন্দ্রিয় শীতের প্রভাবে কাবু। তা কী হয়! লড়াইয়ের অস্ত্র নিশ্চয়ই আছে। নীচে দেওয়া হল শীতে ত্বকের যত্নের কিছু টিপস-
১. পরিচ্ছন্নতা: শীতকালে ত্বক সজীব রাখার মূল মন্ত্রই হল নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। শীতকালে বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ কমে যাওয়ায় আবহাওয়া হঠাৎ শুষ্ক হয়ে যায়। অন্যদিকে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই শুষ্ক ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপই হল পরিচ্ছন্নতা।
শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকে টান পড়ে,যার ফলে কমবেশি আমরা সবাই শরীরে ময়েশ্চরাইজার লাগায়। যার কারণে আমাদের শরীরে ধুলোবালি বেশি জমে। তাই কোনওদিন স্নান বাদ দেবেন না। এতে শরীর আরও শুকিয়ে যাবে। দরকার হলে হালকা গরম জলে স্নান করুন প্রতিদিন।
শীতকালে মুখ ফেস ওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করার বদলে তুলোয় ক্লিনজিং মিল্ক লাগিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মুছে নিন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সাবান যত পারবেন কম ব্যবহার করুন। বদলে লিকুইড সোপ ব্যবহার করতে পারেন।
শীতে শরীরের অন্যান্য অংশের যত্ন নিলেও আমদের মধ্যে অনেকেই ভুলে যাই চরণ যুগলের কথা। তাই নজর রাখুন পা ফাটলে একেবারেই নোংরা জমতে দেবেন না। গরম জলে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন।
২. ময়েশ্চারাইজিং: এই সময় ময়েশ্চারাইজিং ভীষণভাবে জরুরি। স্নানের জলে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ফেলে দিয়ে সেই জলে স্নান করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। স্নানের পর এবং বাড়ি ফিরে হাত, মুখ ধোওয়ার পর ভালো করে হালকা কোনও ময়েশ্চারাইজার মুখে, হাতে পায়ে লাগান। ভারি ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে বাইরে বেরোবেন না। এতে ধুলো ময়লা গায়ে বসে যাবে।
ফাটা পা পরিষ্কার করার পর অবশ্যই ভালো ক্রিম লাগিয়ে শুতে যাবেন।
ঠোঁট ফাটলে অল্প গ্লিসারিন আঙুলে নিয়ে ঠোঁটে লাগান। সারাদিন লিপ বামের হালকা পরত লাগিয়ে রাখুন।
৩. কনুই, গোড়ালির বিশেষ যত্ন: শুষ্ক গোড়ালি কনুইয়ের জন্য এই সময় খুব ভালো ঘরোয়া পদ্ধতি। এক টুকরো লেবুর সঙ্গে চিনি লাগিয়ে কিছুক্ষণ কনুইতে ঘষুন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৫. মেক আপ: যেহেতু এই সময় মেক আপ নষ্ট হয় না তাই সারাদিন মেকআপ করে থাকা যায়। সবসময় ক্রিম বেসড মেকআপ লাগাম মুখে। না হলে ত্বকের সমস্যা দেখা দেবে।
লিপস্টিক লাগালে সেটাও যেন ক্রিম বেসড হয়। না হলে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা আরও বাড়বে।
৬. খাওয়া দাওয়া: সঠিক খাওয়া দাওয়া ত্বক ভালো রাখতে খুবই জরুরি। প্রচুর মরশুমি ফল ও শাক সবজি খান।
গরম হার্বাল চায়ের কোনও তুলনা নেই এইসময়। প্রতিদিন সকালে উঠে ১ চামচ মধু খান। ঠান্ডা যেমন লাগবে না, ত্বকের জেল্লা বাড়বে।
৭. পানি: শরীর ভিতর থেকে শুকিয়ে গেলেই তার প্রভাব বাইরে পড়ে। তাই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূরে রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
(Collected)

Wednesday, December 10, 2014

প্রেমিকার যে ৬টি কথা ছেলেদের ভীষণ অপছন্দের

মেয়েরা একটু বেশিই কথা বলে থাকেন তা সকলেরই জানা। এই একটু বেশি কথা বলার অভ্যাস বাদেও মেয়েদের আরও কিছু অভ্যাস রয়েছে যেমন অযথা চিন্তা করা, একটু বেশি সন্দেহ করা ইত্যাদি। এবং এই অভ্যাসবশত তারা এমন কিছু কাজ ও কথা বলে ফেলেন যা ছেলেদের একদমই পছন্দ নয়। মেয়েরা এই কথা এবং প্রশ্নগুলোকে নিরীহ ভেবেই বলে থাকেন। কিন্তু এই কথাগুলো সম্পর্কে খারাপ প্রভাব ফেলার জন্য যথেষ্ট।

১) আমার প্রাক্তন প্রেমিক ঠিক এই কাজটিই করতো!
অনেক সময় মনে হতেই পারে যে আপনার পুরোনো প্রেমিক যা করতেন তা আপনার বর্তমানের ভালোবাসার মানুষটি করেন। কিন্তু তাই বলে তা ভুলেও বলতে যাবেন না। এই কথাতে ছেলেরা মনে করেন আপনি এখনো পুরোনো প্রেমকে ভুলতে পারেন নি। এতে করে সম্পর্কে সমস্যা শুরু হয়ে যায়।

২) ওই মেয়েটা কি আমার চাইতে সুন্দর?
ছেলেরা একেবারে বিপদে না পড়লে নিজের প্রেমিকাকে আরেকটি মেয়ের সাথে তুলনা করতে যান না। এবং এই ব্যাপারটি পছন্দও করেন না। তাই নিজেকে আরেকজনের সাথে তুলনা করার কথা প্রেমিককে একেবারেই করতে বলবেন না।

৩) তুমি তোমার মায়ের আঁচল ধরেই ঘোরো!!
ছেলেরা একটু মা ঘেঁষা হয়েই থাকে। এটি খারাপ কিছুই নয়। বরং এটি বেশ ভালো একটি গুণ। আপনি যদি তাকে সব সময় বলতে থাকেন, ‘তুমি তো মাম্মা’স বয়’ বা ‘সারাক্ষণ মায়ের আঁচলের নিচে থাকো’ তাহলে আপনার প্রেমিক তা একেবারেও পছন্দ করবেন না।

৪) আমাকে কি মোটা দেখাচ্ছে?
এই প্রশ্নটি ছেলেদের মনে অনেক বেশি বিরক্তির সৃষ্টি করে। আপনাকে যেরকমই লাগুক না কেন তিনি আপনাকে ভালোবাসেন। তার কাছে এগুলো কোনো ব্যাপার নয়। আপনি যখন তাকে এই প্রশ্ন করবেন তখন যা বলবে তা অবশ্যই আপনাকে খুশি করার জন্য এবং তা আপনি জানেন। সেকারণেই ছেলেরা বেশ বিরক্তবোধ করে থাকেন।

৫) তোমার বন্ধুরা একদমই ভালো না
মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের বন্ধুত্ব একটু বেশিই গভীর হয়ে থাকে। কারণ ছেলেরা দিনের অনেকটা সময় বন্ধুদের সাথে কাটায়। তারা নিজের বন্ধুদের অনেক বেশি পছন্দ করেন বলেই এই কাজটি করেন। আপনি যদি কোনো উপযুক্ত কারণ না থাকা সত্ত্বেও তার বন্ধুদের পছন্দ না করেন তবে এতে আপনার প্রেমিক কিছুটা তো মনঃক্ষুণ্ণ হবেনই।

৬) তুমি সবসময় এমনই করো
ছেলেরা সব কথা মনে করে রাখেন না বা আগের ঝগড়ার কথা মনে করে বসে থাকতেও পারেন না। তাই যখন আপনি বলতে থাকেন তুমি আগেও এমন করেছিলে, তুমি সবসময়ই এমন করো তখন তারা একটু বিরক্ত হয়ে যান।

ভালোবাসা সম্পর্কে যে ১০ টি সত্য আমরা অনেকেই ভুলে যাই

ভালোবাসা আসলে কী জিনিস? কেউ কি ভেবে দেখেছেন ভালোবাসার সত্যিকারের সংজ্ঞা কী? ভালোবাসার আসলে কোনো সংজ্ঞা নেই। ভালোবাসার রয়েছে কিছু বৈশিষ্ট্য এবং সত্য। যে সত্যগুলো সকল সত্যিকারের ভালোবাসার মধ্যেই থাকে। কিন্তু আজকালের ঠুনকো ভালোবাসার অভিনয়ের কারণে এই সত্যগুলো কেউ মনে রাখে না। ভুলে যায় অনেকেই। সেকারণেই আজকাল ভালোবাসার দাম নেই মোটেই। চোখে পড়ে না আগেকার সেই সত্যিকারের ভালোবাসা।
১) ভালোবাসা জোর করে হয় না
যতোই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করা হোক না কেন, এই জিনিসটি মূলত কারোরই অজানা নয় যে জোর করে কখনো কাউকে ভালোবাসা যায় না। ভালোবাসা পুরোপুরি একজন মানুষের একান্ত ব্যাপার।

২) প্রেম ও ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে
জীবনে চলার সময় আমরা অনেক কিছুরই প্রেমে পড়ে যাই কিন্তু তাকে ভালোবাসা বলা চলে না। সুতরাং প্রেম এবং ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু এই সত্যটি আমরা অনেকেই মানতে চাই না।

৩) ভালোবাসা ধরে রাখতে করতে হয় অনেক কিছুই
ভালোবাসা ধরে রাখতে অনেক কিছুই করতে হয়। নতুবা সময়ের সাথে সাথে এই ভালোবাসার রঙ বদলে যেতে থাকে। এবং নিজেকে সেই রঙের সাথে মিলে গিয়েই ধরে রাখতে হয় ভালোবাসা।

৪) অন্যকে ভালোবাসার পূর্বে নিজেকে ভালোবাসা উচিত
আপনি যদি নিজেকে ভালোবাসতে না পারেন তবে অন্য কেউই আপনাকে ভালোবাসতে পারবেন না। এই সত্যি অনেকেই জানি। কিন্তু মানতে পারি না।

৫) ভালোবাসায় স্বার্থপরতা থাকে না
ভালোবাসা সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ একটি ব্যাপার। যখন এতে স্বার্থ জড়িত থাকে তখন তা আর ভালোবাসার পর্যায়ে পড়ে না।

৬) ভালোবাসা কখনো পারফেক্ট হয় না
একজন মানুষ যেমন কখনো পারফেক্ট হতে পারেন না তেমনই ভালোবাসা কখনো পারফেক্ট হবে না। অনেক খুঁত থাকবে এতে। কিন্তু তা মেনে নিয়ে চলার নামই ভালোবাসা।

৭) ভালোবাসার অর্থ অন্যের সবকিছুকে আপন করে নেয়া
একজন মানুষের ইম্পারফেকশনকে সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার নামই ভালোবাসা। অন্য আরেকটি মানুষের সব দোষ গুণ মেনে নেয়াই সত্যিকারের ভালোবাসা। তাকে পরিবর্তন করে নিতে চাইলে তা ভালোবাসা নয়।

৮) শুধু আকর্ষণই নয়, এতে থাকতে হয় সম্মান, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস
ভালোবাসা জিনিসটি শুধুমাত্র একে অপরের আকর্ষণের মাধ্যমে তৈরি হয় না। এতে থাকতে হয় একেঅপরের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস।

৯) ভালোবাসা মানে প্রতিজ্ঞা
কাউকে ভালোবাসার অর্থ হচ্ছে তা প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া, যা আজকালের ভালোবাসায় একেবারেই দেখা যায় না।

১০) মেকি ভাবে থাকা ভালোবাসা নয়
নিজের স্বত্বাটাকে বদলে অন্য আরেকজনের মতো অভিনয় করে কারো সামনে থাকার নাম ভালোবাসা নয়। ভালোবাসায় কখনো মেকিভাব থাকতে পারে না।

Tuesday, December 9, 2014

চুল পড়া রোধে আপনার করনীয়



চুল আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূরর্ন অংশ কারন কারো মাথায় যদি চুল না থাকে বিশেষ করে মেয়েদের মাথায় তাঞলে কেমন দেখায় আপনি বলেন। কম বেশি চুল সকলের মাথা থেকে ওঠে তা সে যে কারনেই হোক বিভিন্ন কারনে মাথার চুল উঠতে পারে। চুল উঠা নিয়ে আর চিন্তা নয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনারাে নিচের টিপস গুলো আনুসরন করতে পারেন।

১. দুই চামচ জলপই তেলের সাথে একটি ডিমের কুসুম ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটাকে চুলে লাগান। ১ ঘন্টা মাথায় রাখার পর ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মাসে ৪-৫ বার এটি ব্যবহার করতে এটি পারেন।


২. সবুজ শাক সবজি ফলমূল বেশি ও বেশি বেশি করে প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি করে খাবেন যেমন ডিম দুধ ইত্যাদি ও প্রচুর পানি পান করুন।


৩. নারকেলের তেলের সাথে আমলা ও জবাফুল এক সঙ্গেমিসিয়ে গরম করুন। এবং প্রতিবার শ্যমাপু করার আগে মাথায় লাগান।


৪. প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে মাথা আচড়ে বেনি করে ঘুমাবেন তাতে চুল পড়া আনেক কমবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন চুলের বেনি কখনই টাইট করে বাধবেন না।


৫.  নারিকেল তেলের ভিতর দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষন করে রাখুন এবং প্রতিদিন গোসলের পূর্বে  শাথায় লাগান। এগুলো মেনে চললে অবশ্যই আপনারা আপনাদের চুল পড়া সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

Image

Free Updates to Email
Follow Me:
facebook twitter gplus pinterest rss
https://www.facebook.com/rubel29bd