বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিনামূল্যে আসল মাষ্টার কার্ড নিয়ে নিন!!

সুবিধাগুলো ০১. ১০০% আসল মাষ্টার কার্ড আপনার কাছে পাঠানো হবে। ০২. প্রায় সকল ওয়েবসাইটে কেনাকাটা করতে পারবেন (যেমন hostgator, namecheap, godaddy, amazon etc)

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label স্বাস্থ্য কথা. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য কথা. Show all posts

Saturday, April 23, 2016

শিশুরা কাঁদে কেন?

যে কোনো শিশুই চিৎকার করে কেঁদে তার ভূমিষ্ঠ হওয়ার খবর জানিয়ে দেয়৷ তারপরও কারণে-অকারণেই ওরা কাঁদে৷ এই সুন্দর ভুবনের সাথে মানিয়ে নিতে ওদের যেমন কিছুটা সময় লাগে, তেমনই নতুন মা-বাবারও লাগে খানিকটা সময় সব কিছু গুছিয়ে নিতে৷ যা খুবই স্বাভাবিক৷
আমার কান্না কেউ কি শুনছে না?
মাঝে মাঝে শিশুরা চিৎকার করে ওঠে, বিশেষ করে কাছাকাছি অনেকক্ষণ কোনো শব্দ শুনতে না পেলে৷ অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই হয়ত তখন কাঁদে তারা৷ মজার ব্যাপার, ঐ মুহূর্তে কেউ কাছে গিয়ে কথা বললে বা কোলে তুলে নিলে সাথে সাথেই শিশুদের কান্না থেমে যায়৷
বাঙালি বাবা-মায়ের সন্তান
দেশে সন্তান জন্মের পর থেকেই সে বাচ্চা কোলে কোলে থাকে৷ বাচ্চা কাঁদুক আর না কাঁদুক৷ নতুন মা সারাক্ষণই তাঁর শিশুটিকে নিয়ে ব্যস্ত আর সেই শিশু সর্বক্ষণই পেয়ে থাকে মায়ের শরীরের উষ্ণতা৷ শিশুকে কোলে নেওয়ার জন্য বাবা-মা ছাড়াও আত্মীয়স্বজন থাকেন৷ এছাড়া, বাচ্চাকে শুধু দেখাশোনা করার জন্য আলাদা লোকও অনেক সময় রাখা হয়৷
জার্মান শিশু
জার্মানিতে কোনো শিশু কাঁদলেই চট করে কোলো তুলে নেওয়া হতো না কয়েক বছর আগ পর্যন্তও৷ শিশু কাঁদলে ওকে শুইয়ে রাখা হতো৷ এক সময় সেই ছোট্ট শিশু কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পরতো৷ কারণ, মা সারাক্ষণ বাচ্চাকে কোলো নিলে বাড়ির অন্য কাজ কে করবে? রাতে প্রতিদিন ঘড়ি ধরে একই সময়ে বাচ্চাকে বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হতো ঘর অন্ধকার করে৷ বলা বাহুল্য জার্মানিতে গ্রীষ্মকালে প্রায় ১১টা পর্যন্ত বাইরে সূর্যের আলো থাকে৷
সময় পাল্টেছে, বদলেছে চিন্তাধারা
একদিকে যেমন জার্মানির মতো উন্নত দেশগুলিতে প্রযুক্তি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে উন্নয়নশীল দেশেরও কিছু বিষয় গ্রহণ করতে শুরু করেছে তারা৷ শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. গেন কামেদা বলেন, পশ্চিমের সংস্কৃতিটা এমন যে শিশুরা মায়ের শরীরের উষ্ণতা কম পায়, কারণ এ দেশে বাচ্চারা বিছানায় বেশি সময় থাকে আর এটাই হয়ত শিশুদের রাতে কান্নাকটি করার বড় কারণ৷
নতুন বাবা-মা
নতুন মা-বাবার নানা প্রশ্ন, শিশুটির কান্নার কারণ তাঁরা বুঝতে পারেন না৷ ক্ষুধা, শরীর খারাপ, ক্লান্ত নাকি আদর, কি চায় বেবিটি? আসলে শরীরের উষ্ণতা পেলে শিশুরা সব কিছুই ভুলে যায়, যদি না বড় কোনো শারীরিক কষ্ট থেকে থাকে, বলেন ডা. কামেদা৷ তাঁর পরামর্শ, পিতা-মাতা হলে অনেককিছুই বাদ দিতে হয়, তাই বাইরে গেলে শিশুকে কোলে করে সঙ্গে নেবার চেষ্টা করবেন – যাতে শিশুটি শরীরের উষ্ণতা পায়৷
ডাক্তারের পরামর্শ
নতুন বাবা-মায়ের জন্য ডাক্তার কামেদার আরো পরামর্শ, শিশুর কাছাকাছি থাকুন, শিশুকে সময় দিন, কোলে তুলে নিন৷ অল্প কিছুদিন পরেই দেখবেন, শিশু শুধু কাঁদেই না, বরং খুব শীঘ্রই তারা হাসতে শিখবে, হাসাবে মা-বাবাকেও৷
- ডিডব্লিউ
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/99804#sthash.Wn7swkV5.dpuf

Sunday, January 31, 2016

কিভাবে বুঝবেন আপনার হৃদরোগ হতে পারে?

প্রতি বছর সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ হার্ট অ্যাটাক বা হৃদযন্ত্রের সমস্যায় মারা যান। শরীরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হৃদযন্ত্র। বুকের মাঝে ধুকপুক করেছে বলে আমরা সকলে বেঁচে থাকি। হার্ট যদি কোনো কারণে অসুস্থ হয় তবে তা নানা সংকেত দিয়ে আমাদের জানান দেয়। অনেক সময় আমরা সাধারণ কোনও রোগ ভেবে তা উপেক্ষা করি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ কারণেই হার্ট অ্যাটাক হয়। চিকিত্‍সকদের মতে, যদি হার্ট-অ্যাটাক হওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যে চিকিত্‍সা শুরু করা যায়, তবে ৯৬ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগী বেঁচে যান। ১০টি লক্ষণে বাড়িতেই বুঝতে পারবেন আপনার হার্ট-অ্যাটাক হতে পারে। অবিলম্বে চিকিত্‍সকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। দেখে নিন কী কী সেই লক্ষণ : ১) বুকে ব্যথা : বুকে ব্যাথা, বিশেষত বুকের মাঝে ব্যথা হলে বুঝবেন হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে। যদি কোনো কারণে বুকের মাঝখানে তীক্ষ্ণ ব্যাথা অনুভব করেন এবং সেটা বেশ কিছু ক্ষণ ধরে হতেই থাকে, দেরি না করে হাসপাতালে যাওয়াই ভালো। ২) ব্যথা ছড়িয়ে হাতের দিকে যাওয়া : বুকের মাঝ থেকে ব্যাথা ছড়িয়ে মাঝখান পর্যন্ত যাচ্ছে বুঝবেন হার্ট অ্যাটাকের সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। দেরি না করে শিগগির চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিন। ৩) জোরে নাক ডাকা : বয়সজনিত কারণে অনেকেই রাতে ঘুমের সময় অল্প-বিস্তর নাক ডাকেন। তবে তা অস্বাভাবিক জোরে হলে সমস্যা। জোরে নাক ডাকানোর মানে হল, ঘুমের সময় ঠিক মতো নিশ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না। ফলে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ৪) তাড়াতাড়ি হাঁপ ধরা : আগে যে কাজ অবলীলায় করতেন, তা করতেই ভীষণ হাঁপ ধরে যাচ্ছে। অন্যতম লক্ষণ যে আপনার হার্ট দুর্বল হয়ে পড়েছে। ৫) ক্রমাগত কাশি : ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি হলে আলাদা কথা। কিন্তু যদি সারা বছর ধরেই কাশছেন, অথচ ঠান্ডা লাগেনি। তার সঙ্গে হাল্কা গোলাপি রঙের কফ উঠে আসছে। এটার অর্থ হার্ট শরীরে চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে পারছে না। তাই ফুসফুসে রক্ত চলে যাচ্ছে। ৬) অতিরিক্ত ঘামানো : পরিশ্রম করেছেন না, কিন্তু তাও হঠাত্‍ হঠাত্‍ খুব ঘামছেন। এটাও ন্যতম লক্ষণ। ৭) অনিয়মিত হার্টবিট : হলে নিজেই ভালো বুঝতে পারবেন। মাঝে মাঝে বাড়বে বা কমবে। তেমন ভয়ানক না হলেও ভয়ের কারণ রয়েছে। চিকিত্‍সকরে পরামর্শ নিন। ৮) হাত-পা-গোড়ালি ফুলে যাওয়া : এটা সংকেত যে আপনার হার্ট ঠিক মতো রক্ত পাম্প করতে পারছে না। দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান। ৯) মাথা ঝিমঝিম ভাব : দীর্ঘ দিন ধরে মাথা ঘোরা বা মাথা ঝিমঝিম করার অর্থ আপনার রক্তচাপ বেশ খানিকটা কমে গেছে। যা হার্টে অতিরিক্ত চাপ দিচ্ছে। ১০) চোয়াল বা গলায় ব্যথা : বুকের মাঝখান থেকে গলা বা চোয়াল পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে পড়ছে। এটার অর্থও হার্ট-অ্যাটাকের আশঙ্কা রয়েছে। তত্‍ক্ষণাত্‍ চিকিত্‍সকের প্রয়োজন রয়েছে। - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/89607#sthash.3RXnZdYx.dpuf

Friday, January 22, 2016

ত্বকের রোগ সারাতে অভিনব উপায়

ত্বকের রোগ নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেক মানুষ৷ ওষুধপত্র, ক্রিম ইত্যাদি সাময়িক স্বস্তি দিলেও অনেক রোগ দূর হতে চায় না৷ জার্মান বিজ্ঞানীরা এবার শীতল প্লাজমা কাজে লাগিয়ে ক্ষতের চিকিৎসার অভিনব উপায় খুঁজে পেয়েছেন৷ জার্মানির ফ্রাউনহোফার ইনস্টিটিউট এবার ক্ষত ও ত্বকের রোগের চিকিৎসায় শীতল প্লাজমা কতটা কার্যকর হতে পারে, তা খতিয়ে দেখছে৷ দেখা গেছে, শীতল প্লাজমা অতি ক্ষুদ্র মাইক্রোঅরগ্যানিজম মেরে ফেলে এবং ত্বকে রক্তের চলাচল তরান্বিত করে৷ ফ্রাউনহোফার ইনস্টিটিউটের ড. আন্দ্রেয়াস হেল্মকে বলেন, ‘‘প্লাজমার বিশেষত্ব হলো, তা ব্যাক্টিরিয়া ও মাইক্রোঅরগ্যানিজমের মোকাবিলা করে এবং বিভিন্ন রোগের প্যাথোজেন বা জীবাণু মেরে ফেলে৷ ত্বকের স্তরের ঠিক নিচে রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া চাঙ্গা করে তোলে৷ অর্থাৎ ক্ষত বেশিদিন থাকলে তাতে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়৷ এই দুই প্রভাব কাজে লাগিয়ে প্লাজমা সেই অভাব পূরণ করে ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে৷'' পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী তিন রকম অবস্থা সম্ভব – কঠিন, তরল ও বায়বীয়৷ প্লাজমা হলো চতুর্থ অবস্থা৷ শক্তি কাজে লাগিয়ে যেকোনো গ্যাসকে এই অবস্থায় রূপান্তরিত করা সম্ভব৷ এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬০০ রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া কাজে লাগানো হয়৷ ইলেকট্রন, আয়ন, অণু ও অতি বেগুনি রশ্মির এক মিশ্রণ সৃষ্টি হয়৷ ড. আন্দ্রেয়াস হেল্মকে বলেন, ‘‘কোনো গ্যাসের মধ্যে বৈদ্যুতিক শক্তি প্রবেশ করিয়ে প্লাজমা সৃষ্টি করা হয়৷ অর্থাৎ সেই গ্যাস বিদ্যুৎ বহন করতে পারে৷ তখন দেখা যায়, কণাগুলি তাদের চার্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং অণু পরমাণুতে রূপান্তরিত হয়৷ কণাগুলোতে শক্তি প্রবেশ করলে বিকিরণের মাধ্যমে সেই শক্তি বিচ্ছুরিত হয়৷ এখানে কণার সেই বিকিরণ দেখা যাচ্ছে৷'' প্লাজমার আসল প্রভাবের এখনো পুরোপুরি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি৷ তবে এটা ঠিক, যে প্লাজমা ত্বকের ক্ষুদ্রতম ফাঁকফোকরেও প্রবেশ করে জীবাণুমুক্ত করে তুলতে পারে৷ এমনকি মাল্টিরেজিস্টেন্ট ব্যাক্টিরিয়াও রেহাই পায় না৷ ব্যাক্টিরিয়ার বিরুদ্ধে প্লাজমা কতটা কার্যকর হতে পারে, তা ই-কোলাই ব্যাক্টিরিয়ার এক পরীক্ষার মাধ্যমেই বোঝা সম্ভব৷ এই ব্যাক্টিরিয়া আন্ত্রিক রোগ ও ফুড পয়জেনিং ঘটাতে পারে৷ শীতল প্লাজমার বিকিরণের ফলে সেই ব্যাক্টিরিয়া মারা যায়৷ বায়োকেমিস্ট মোনিকা গেলকার বলেন, ‘‘প্লাজমা ব্যক্টিরিয়া ও ছত্রাকের মতো মাইক্রোঅরগ্যানিজম মেরে ফেলতে পারে৷ সেটি বিভিন্ন রাসায়নিক পরস্পরের সাথে জুড়ে দেয় অথবা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র কাজে লাগিয়ে মেমব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত করে৷ মাইক্রোঅরগ্যানিজমের ভিতরে ডিএনএ এবং প্লোটিনও নষ্ট করে দেয় প্লাজমা৷ ফলে সেগুলোর মৃত্যু হয়৷'' ডাক্তার, বায়োলজিস্ট ও পদার্থবিদদের এক টিম এর মধ্যে এক যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা সরাসরি ত্বকের উপর শীতল প্লাজমা সৃষ্টি করতে পারে৷ এক ক্লিনিকাল পরীক্ষার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার ব্যাক্টিরিয়া-নাশক গুণের প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ হাই ভোল্টেজ পাল্স সৃষ্টি করে যন্ত্র ও ত্বকের মাঝের অংশের বাতাসকে প্লাজমায় রূপান্তরিত করা যায়৷ ড. হেল্মকে বলেন, ‘‘এক্ষেত্রে প্রায় চার মাস ধরে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে প্লাজমা প্রয়োগ করে চিকিৎসা করা হয়েছে৷ সব মিলিয়ে ৫০ রকমের অ্যাপ্লিকেশন কাজে লাগানো হয়েছে৷এই ক্ষত কিছুতেই সেরে উঠছিল না৷ এই চিকিৎসার পর সেই ক্ষত উধাও৷ এই চিকিৎসা পদ্ধতি তিন রকমের পদ্ধতির মেলবন্ধন ঘটাচ্ছে৷ ওজোন-থেরাপি, স্টিমুলেশন কারেন্ট থেরাপি এবং লাইট থেরাপি৷ এখানে একটি যন্ত্রের মাধ্যমে সে সবের সাথে প্লাজমা প্রযুক্তিও একসাথে কাজে লাগানো হচ্ছে৷'' বহুকালের ক্ষত সারাতে শীতল প্লাজমার প্রয়োগ এর মধ্যেই শুরু হয়ে গে - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/86635#sthash.m4TC8cjx.dpuf

Friday, November 20, 2015

কালোজিরার গুণাগুণ

কালোজিরা চিনে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। ক্ষীর, পায়েস, পান, পিঠাপুলিসহ বেশকিছু তেলেভাজা খাবারে ভিন্ন স্বাদ আনতে সচরাচর কালোজিরা ব্যবহার হয়।  কিন্তু শুধু খাবাবের স্বাদ বাড়ানোর জন্য নয়, এছাড়াও কালোজিরার বহুমাত্রিক গুণাগুণ রয়েছে যা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো : ১. রোগ প্রতিরোধ : কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এটি যেকোনো জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কালোজিরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ : কালোজিরা নিম্ন রক্তচাপ বৃদ্ধি করে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দেহের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে শরীরে রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে। ৪. যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে : কালোজিরা নারী-পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কালোজিরা খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এটি পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও তৈরি করে। ৫. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি : নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে; যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ৬. হাঁপানী রোগ উপশমে : হাঁপানী বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা সমাধানে কালোজিরা দারুণ কাজ করে। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা খেলে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা উপশম হয়। ৭. পিঠে ব্যথা দূরীকরণে : কালোজিরার থেকে তৈরি তেল আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। ৮. শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে : নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। কালোজিরা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে। বিডি-প্রতিদিন/২৬ অক্টোবর ২০১৫/শরীফ - See more at: http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2015/10/26/105748#sthash.c1W4nbW5.dpuf

Friday, November 13, 2015

লিভারকে পরিষ্কার রাখতে যে ৩ টি খাবার কার্যকর

লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন ৩ পাউন্ড। দেহের এই লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন- হজম শক্তি, মেটবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দেহে পুষ্টি যোগানো ইত্যাদি। সুস্থ লিভার দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে, রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, দেহের সকল অংশে পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং সাধারণ সুগার গ্লুকোজ সংরক্ষন করে। যেহেতু লিভার আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ তাই যে কোন উপায়ে একে সুস্থ সবল রাখতে হবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন দেহের লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ, দীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে। তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার আছে যা সুস্থ রাখবে আপনাকে।   রসুন: লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। এতে আছে আছে আরও দুটি উপাদান যার নাম এলিসিন এবং সেলেনিয়াম যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে।   লেবু: লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। তাছাড়া লেবুর ভিটামিন সি লিভারে বেশি করে এনজাইম তৈরি করে যা হজম শক্তির জন্য উপযোগী। লেবুর মিনারেল লিভারের নানান পুষ্টি উপাদানগুলো শোষণ করার শক্তি বৃদ্ধি করে। বাসায় লেবুপানি পান করুন এবং যেকোন সময় পানের জন্য লেবুপানি বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন, চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।   আপেল: প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে তা লিভারকে সুস্থ রাখে। আপেলের পেক্টিন, ফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবেই রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান। 

- See more at: http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2015/10/21/104835#sthash.tIZGyfxI.dpuf

Saturday, September 12, 2015

ডায়াবেটিসজনিত শারীরিক অক্ষমতায় করণীয়

ডায়াবেটিস দেহের প্রতিটি সিস্টেমকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে চোখ, কিডনি, হৃৎপিণ্ড, স্নায়ুতন্ত্র, ত্বক, সন্ধি বা জয়েন্ট, প্রজননতন্ত্রসহ দেহের প্রতিটি তন্ত্রই তার স্বাভাবিক কার্যকারিতা হারিয়ে রোগাক্রান্ত হয়ে পডে।
রোগীর মাংসপেশির কর্মক্ষমতা আস্তে আস্তে কমে আসে, পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি হলে হাত ও পায়ের মাংসপেশি প্যারালা-ইসিসে আক্রান্ত হয়। জোড়ার ভেতর বিভিন্ন ক্রিয়া-বিক্রিয়ার ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অকেজো হয়ে পড়ে। এতে জোড়ায় ব্যথা হবে, ফুলে যাবে, হাঁটা, চলাফেরা, কাজকর্মের ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। রোগী নামাজ, গোসল, জামা কাপড় পরিধান করতে, মারাত্মক অসুবিধার সম্মুখীন হন। অনেক সময় মাংসপেশির অসারতা, হাড় ও জোড়ার ক্ষতি হওয়ার ফলে রোগী পড়ে গিয়ে হাড় ও জোড়া ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন রোগভোগের কারণে রোগী এক পর্যায়ে পঙ্গুত্ববরণ করে বা জীবননাশ ঘটে। তাই ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের অসারতা, হাড় ও জোড়া ব্যথায় কথায় কথায় ব্যথানাশক ওষুধ মোটেও খাওয়া উচিত নয়। এতে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস, কিডনি অকেজো ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হতে পারে। শারীরিক অক্ষমতার পরিমাণ নির্ণয় করে বিভিন্ন থেরাপি-উটিক এঙ্ারসাইজ, ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, ম্যানুয়েল ও মেকানিক্যাল থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিলে রোগী সুস্থ থাকবেন।
ডা. সফিউল্লাহ প্রধান, চেয়ারম্যান, ডিপিআরসি হাসপাতাল, প্রবাল হাউজিং, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
সংগৃহীত

Saturday, August 22, 2015

৬টি খাবার আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধি করবে

আমরা খাবার মুখে দিয়ে খাওয়া শুরু করার সাথে সাথে হজমের ক্রিয়া শুরু হয়ে যায় আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্রের মাধ্যমে। হজম বা পরিপাক ক্রিয়া খাবারকে ভেঙে পুষ্টি দেহে সরবরাহের কাজ করে। কিন্তু যখন এই হজমশক্তি কমে যায় আমাদের দেহ দুর্বল হওয়া শুরু করে কারণ খাবার ভেঙে পুষ্টি তৈরি হয়ে সেটা পুরো দেহে সরবরাহ করার ক্ষমতা কমে যায়। হজমশক্তি কমে গেলে দেহে পুষ্টির অভাবে বাসা বাঁধা শুরু করে নানা ধরণের রোগ। এমনকি হজমশক্তি কমে গেলে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ওজনও। তাই আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখা এবং হজমশক্তি ঠিক রাখার জন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য খেতে হবে প্রয়োজনীয় খাবার। এরকমই একটি খাবারের তালিকা নিয়ে আমাদের আজকের লেখা। এই খাবারগুলো প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন হজমশক্তি বৃদ্ধি করে দেহ সুস্থ রাখবে। আদা হজমের শক্তি বৃদ্ধি করতে অনেক প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা দেহের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে ‘জিনজারোলস’ যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পরিপাকক্রিয়া দ্রুত করে। সকালে এক কাপ আদা চা এবং রান্নায় আদার ব্যবহার কিংবা কাঁচা আদা খাওয়া পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখে। বিটরুট উজ্জ্বল রঙের এই সবজিটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এই সবজিতে রয়েছে বিটাসায়নিন, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। এছাড়া এতে আরও রয়েছে ভিটামিন বি৩, বি৬ এবং ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিন যা সবই পরিপাকযন্ত্র, লিভার এবং গলব]াডারের সুরক্ষায় কাজ করে। রসুন দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান যেকোন ধরণের ঠাণ্ডা কাশি, ভাইরাল ইনফেকশন দূর করার সাথে সাথে আমাদের হজমেরশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি কাঁচা রসুন দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী। ব্রকলি অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু ব্রকলির রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। নিয়মিত ব্রকলি খাওয়া দেহের জন্য অনেক ভালো। এটি আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে এবং হজমে সাহায্য করে। স্যুপ, পাস্তা কিংবা সাধারণ সবজি রান্নায় ব্রকলি ব্যবহার করুন। দেহ সুস্থ থাকবে। বাঁধাকপি প্রচুর পরিমানে সালফার সমৃদ্ধ বাঁধাকপি দেহকে যেকোনো ধরণের ক্ষতিকর টক্সিন মুক্ত রাখার কাজে ব্যবহার হয়। বাঁধাকপিতে প্রায় ৬০% পানি থাকায় এটি প্রাকৃতিক কি]নজার হিসেবে কাজ করে। যা দেহের সকল ধরণের দূষিত পানি দূর করে হজমশক্তি উন্নত এবং পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখে। দারুচিনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাংগানিজ যা দেহের ফ্যাটি এসিড হজম করতে সাহায্য করে। এবং এটি আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি ব্যবহার আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র এবং হজমশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক কার্যকরী। সূত্র: ইন্টারনেট

Thursday, August 20, 2015

ত্বক সুন্দর রাখে গাজর

গাজরকে বলা হয়ে থাকে ‘শক্তিশালী’ খাদ্য উপাদান। গাজরে রয়েছে ভিটামিন 'এ'। জেনে নিন গাজর খাওয়ার ৭টি উপকারিতা।
১. গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। কেননা এতে আছে বেটা ক্যারোটিন।
২. গাজর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
৩. ত্বক সুন্দর রাখতে চাইলে গাজর খেতে পারেন। এটা ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন 'এ' ও এন্টিওক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।
৪. গাজর অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। এটি ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। কোথাও কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে সেখানে কুচি করা গাজর বা সিদ্ধ করা গাজরের পেস্ট লাগিয়ে দিন। এতে ইনফেকশন হবার আশঙ্কা কমে যাবে।
৫. গাজরের ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
৬. গাজর দাঁত ও মুখ গহ্বর পরিষ্কার রাখে। গাজরের মিনারেলগুলো দাঁত মজবুত থাকতে সাহায্য করে অনেকাংশেই।
৭. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ৬টির বেশি গাজর খেয়েছেন বা খাচ্ছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি যারা এর থেকে পরিমাণে কম বা একটি গাজর খাচ্ছেন তাদের তুলনায় অনেক কম হয়েছে। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই গাজর রাখতে হবে। 
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/life.../2015/08/08/98663#sthash.f14DyBFJ.dpuf

এলার্জিকে গুডবাই জানানোর উপায়

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা যে ভুক্তভোগী সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –
১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।
২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।
৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।
৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।
৬) কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। আশা করা যায় এলার্জি ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।

Collected From http://www.bd-pratidin.com/life.../2015/08/17/100568

Wednesday, August 19, 2015

খুশকি সমস্যা ও প্রতিকার

মাথা থেকে আঁশের মতো মরা চামড়া ওঠাকে খুশকি বলে। সাধারণত এই রোগটি বয়ঃসন্ধিকালে বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে হয়। এ ক্ষেত্রে মাথার চামড়া থেকে ছোট ছোট আঁশের মতো মরা চামড়া উঠতে থাকে। ফলে মাথার চামড়া চুলকায় এবং চিরুনি দিয়ে চুলকালে ভালো লাগে এবং চিরুনির সাথে খুশকিগুলো বেরিয়ে আসতে থাকে। তবে মাথায় যদি যৎসামান্য খুশকি হয় তা কিন্তু একটি সাধারণ ব্যাপার। এই খুশকি যদি খুব বেশি হয় তবে তাকে সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের বহিঃপ্রকাশ বলে ধরে নিতে হবে। কিন্তু খুশকির সাথে সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের পার্থক্য হলো এই যে, খুশকিতে মাথা থেকে আঁশযুক্ত মরা চামড়া উঠবে, তবে মাথায় কোনো প্রদাহ থাকবে না। আর যদি মাথায় খুশকি অর্থাৎ মরা আঁইশের মতো চামড়া ওঠে সেই সাথে মাথার প্রদাহও থাকে তবে তখন আমরা তাকে খুশকি নয় বরং সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বলে চিহ্নিত করব। তবে মনে রাখতে হবে খুশকিকে সব সময় নির্মূল করা সম্ভব হয় না। কতকগুলো খুশকিকে নিবারক শ্যাম্পু দিয়ে দমিয়ে রাখা যায়। আর তাই দমিয়ে রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, একে দমিয়ে না রাখলে এর থেকে মাথার চুল ঝরে যেতে থাকবে। অনেকে আবার মনে করেন খুশকি হলে মাথায় বেশি করে তেল দিতে হবে। ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ এই তেল দেয়ার কারণে মাথা সব সময় তৈলাক্ত ও ভেজা থাকে। ফলে মাথায় একশ্রেণীর ছত্রাকের আক্রমণ হতে থাকে এবং এ রোগ ক্রমান্বয়ে আরো বাড়তে থাকে। আবার একশ্রেণীর রোগী এই খুশকি দমাতে মাথায় খৈল ব্যবহার করে। খৈল আর কিছুই নয়, সরিষা থেকে তেল বানাতে বর্জ্য হিসেবে এই খৈল পাওয়া যায়। এটাও একটা ভুল ধারণা। খৈল ব্যবহারে খুশকি দূর হয় বলে কোনো কথা নেই। খৈল ব্যবহারের ফলে খুশকিগুলো ভিজে মাথার ত্বকে লেগে থাকে। ফলে অনেকেরই হয়তো মনে হতে পারে যে, খুশকি দূর হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ধারণাটা সম্পূর্ণই ভুল। 
যাদের মাথায় খুশকি হয় তারা মাথা ভেজা রাখবেন না, বরং মাথা যেন সব সময় পরিষ্কার থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভেজা মাথায় চুল বাঁধাও উচিত নয়। তাতে চুলের নিচে পানি আটকা পড়ে ত্বক ভেজা থাকে, যা কিনা এই রোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আর একটা কথাÑ যাদের খুশকি আছে, তাদের ব্যবহার করা চিরুনি অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয়। এর মাধ্যমে খুশকিজনিত ছত্রাক একজনের মাথা থেকে অন্যের মাথায় চলে যেতে পারে। অনেক সময় সেবোরিক ডার্মাটাইটিসকে আমরা সাধারণ খুশকি বলে মনে করি। তাই মনে রাখতে হবে দেহের তেল গ্রন্থিযুক্ত স্থানে যেমন মাথার ত্বক, বুকের মধ্যখান, কানের পেছনের দিক, বগল ইত্যাদি লোমযুক্ত স্থানে যদি খোসাযুক্ত লালচে দাগ দেখা যায় সেক্ষেত্রে আমরা সিবোরিক ডার্মাটাইটিস বলে ধরে নেবো। ভুরু, নাক, নাকের পাশের খাঁজ, ঠোঁট, কান, কানের পেছন, কানের ভেতরের অংশ এসব স্থানেও এই রোগের প্রকাশ পেতে পারে। চোখের পাতাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। যাকে বলা হয় ব্লেফাবাইটিস। এতে চোখের পাতা লালচে হয় এবং ছোট ছোট সাদা আঁশের মতো মরা চামড়া উঠতে দেখা যায়। দাড়ি, গোঁফ ইত্যাদি অংশও এতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। 
আবার অনেক সময় সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের ওপর বাইরের জীবাণুর আক্রমণ ঘটে, সে ক্ষেত্রে দেখতে কিছুটা একমিজমার মতো মনে হয়। আর একটি রোগে প্রায়ই আঁইশ উঠতে দেখা যায়, যেটি হলো সোরিয়াসিস। মাথার সোরিয়াসিসে যখন আঁশ ওঠে তখন অনেকেই মনে করেন যে, মাথায় খুব বেশি পরিমাণে খুশকি হয়েছে। তবে এই দুটো আঁশের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে যে, সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের আঁশগুলো তৈলাক্ত; কিন্তু সোরিয়াসিসের আঁশগুলো শুকনো ও সিলভারি রঙের বাইরে বিশেষভাবে আরো একটু লক্ষ করলে দুটোর প্রভেদ বোঝা যায়; যেমন, মাথার সোরিয়াসিসে চুলের সামনের সীমানা বরাবর একটা স্পষ্ট দাগ লক্ষ করা যায় কিন্তু খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে তেমন কোনো দাগ দেখা যায় না।
চিকিৎসা : খুশকি সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের চিকিৎসা প্রায় একই রকম। খুশকি নিবারক শ্যাম্পু যেমন জিঙ্ক পাইরিথিওন, সেলেনিয়াম সালফাইড অথবা কেটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহারে খুশকি দমন করা সম্ভব। যদি বেশি পরিমাণ প্রদাহের লক্ষণ উপস্থিত থাকে তবে এর পাশাপাশি কম শক্তিশালী কর্টিসোন লোশন বা জেল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
লেখক : চর্ম, এলার্জি ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আল-রাজি হাসপাতাল, ১২ ফার্মগেট, ঢাকা।
ফোন : ০১৮১৯২১৮৩৭৮ - See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/47210#sthash.xfEXUrrY.dpuf

শ্বাসকষ্ট হলেই হাঁপানি নয়

শ্বাসকষ্ট হাঁপানি রোগীর একটা বড় লক্ষণ। কিন্তু শুধু শ্বাসকষ্ট নিয়ে এলেই তাকে হাঁপানি বলে শনাক্ত করে চিকিৎসা দিতে হবে তা কিন্তু ঠিক নয়। কিছু কিছু শ্বাসের রোগ হাঁপানির মতো মনে হলেও কিন্তু তা মোটেই হাঁপানি নয়।
পুরনো ব্রঙ্কাইটিস : সাধারণত বয়স্ক রোগীরাই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ধূমপায়ীদের মধ্যেই পুরনো ব্রঙ্কাইটিস দেখা যায় বেশি। দিনের পর দিন তামাকের ধোঁয়া শ্বাসনালীতে ঢুকে পড়ে। এতে শ্বাসনালীর স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়। কারণ এ ধোঁয়া শ্বাসনালীতে প্রদাহের সৃষ্টি করে। অসম্ভব কাশি ও প্রচুর পরিমাণ কফ এই রোগের প্রধান লক্ষণ। সাধারণত ভোরবেলা এই রোগের উপসর্গগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
এমপিসেমা হলো ফুসফুসের বায়ুথলি রোগ। এ রোগে বায়ুথলির স্বাভাবিক প্রসারণ ও সংকোচন বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বায়ুথলির ভেতরের কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেনের যাতায়াত বন্ধ হয়ে পড়ে। খুব সামান্য পরিশ্রম করলেই রোগী দারুণ হাঁপাতে শুরু করে। দেখা গেছে, এ ধরনের ফুসফুসের রোগ চিকিৎসা করলেও স্বাভাবিক হতে চায় না বা স্বাভাবিক হয় না।
হৃৎপিণ্ডঘটিত হাঁপানি : হৃৎপিণ্ড ঘটিত হাঁপানি ঠিক শ্বাসযন্ত্রের হাঁপানির অনুরূপ। বয়স্ক লোকদের হৃৎপিণ্ডের ক্ষমতার অভাব দেখা দিলে এ ধরনের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। সাধারণত হাঁপানির শ্বাসকষ্ট শ্বাস ছাড়ার সময়ই হয়ে থাকে বেশি কিন্তু এ ক্ষেত্রে নিঃশ্বাস এবং প্রশ্বাস উভয় সময়ই শ্বাসকষ্ট হয়। প্রায়ই এটা দেখা দেয় গভীর রাতে নিদ্রাকালে। শ্বাসকষ্ট এত তীব্র হয় যে, রোগীর মনে হয় যেন দম বন্ধ হয়ে আসছে। এজন্য নিদ্রিত রোগী জেগে উঠে বসে পড়ে। শ্বাসকষ্ট কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং রোগী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
হিস্টিরিয়া : সাধারণত যুবতী মেয়েরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। মাঝে মাঝে তাদের অসম্ভব শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। আর মনে হয় যেন দম বন্ধ হয়ে আসছে। কিন্তু তাদের পরীক্ষা করলে দেখা যায়, শুধু শ্বাসটা একটু দীর্ঘ হয় আর নিঃশ্বাস এবং প্রশ্বাসে কোনো কষ্টই নেই। চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টায় এ ধরনের রোগীর অবচেতন মন বিভিন্ন রোগের উপসর্গ নকল করে। মনোবিদদের সাহায্যের দরকার হতে পারে হিস্টিরিয়া নিরীক্ষার জন্য।
লেখক : অধ্যাপক, অ্যাজমা ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
চেম্বার : ল্যাবএইড, গুলশান, বাড়ি নং-১৩/এ, সড়ক নং-৩৫, গুলশান ২, ঢাকা। ফোন : ০১৯১১-৩৫৫৭৫৬ -

 See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/47207#sthash.yRV0K7zu.dpuf

চুল পাকা রোগ

অনাদিকাল থেকে মানুষ চুলের পরিচর্যা করে আসছে। সুন্দর চুলের জন্য মানুষের প্রচেষ্টার বিরাম নেই। কিন্তু অনেক সময় তাকে হতাশ করে দিয়ে সুন্দর চুলগুলো পাকতে শুরু করে। প্রকৃতির নিয়মে একটি নির্দিষ্ট বয়সে মানুষের চুল পাকে, কিন্তু কখনো কখনো অল্প বয়সেও কারো কারো চুল পাকতে দেখা যায়। তখন দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২৪ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ২৫ জনের চুলে পাক ধরে। পরে বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকার সংখ্যা আরো বেড়ে পঞ্চাশে দাঁড়ায়। এই অনাকাক্সিক্ষত সমস্যাটি দেখা দেয়ার কারণ কী?
আমাদের ত্বকে মেলানোসাইট নামে এক ধরনের কোষ থাকে, যা মেলানিন উৎপাদন করে। যাদের কম মেলানিন উৎপাদন হয় তাদের রঙ সাদা হয় এবং বেশি উৎপাদন হলে রঙ কালো হয়। চুলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। যদি কোনো কারণে চুলের গোড়ার মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় তাহলে বন্ধ হয়ে যায় মেলানিনের উৎপাদন। ফলে চুলের রঙ সাদা হয়ে যায় এবং আমরা সেটাকে চুল পাকা বলি। যেকোনো বয়সেই এটা ঘটতে পারে। মেলানোসাইট কোষ কেন নিষ্ক্রিয় হচ্ছে এ ব্যাপারে অনেক গবেষণা হয়েছে। দেখা গেছে বংশগত কারণে অনেকের মধ্যে এ সমস্যাটি ঘটছে। অল্প বয়সে যাদের চুল পাকে তাদের কারো কারো মধ্যে অটোইমিউন ডিজিজের কারণে মেলানোসাইট কোষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। ফলে চুলে মেলানিন না পৌঁছার কারণে চুল পেকে যাচ্ছে। এই অটোইমিউন ডিজিজে ত্বকের মেলানোসাইটের বিরুদ্ধে তৈরি হয় এন্টি মেলানোসাইট এন্টিবডি যা মেলানোসাইট কোষকে ধ্বংস করে দেয়। এ ছাড়া গবেষকরা খুব বেশি জ্বর, দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুখ এবং মানসিক দুশ্চিন্তাকে অল্পবয়সে চুল পাকার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
অল্প বয়সে কিংবা বেশি বয়সে চুল পাকার ব্যাপারটি হঠাৎ করে ঘটে না। প্রথমে কয়েকটি চুল পাকতে শুরু করে- পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য চুল পাকে।
বংশজাত কারণ ছাড়া আর সেসব কারণে চুল পাকে- চুলের প্রধান পুষ্টি প্রোটিন ও ভিটামিন। এই পুষ্টির অভাবে চুল পাকতে পারে। শরীরে যখনই প্রোটিন কিংবা ভিটামিনের তীব্র অভাব ঘটে তখনই চুলের পরিবর্তন চোখে পড়ে। প্রোটিনের অভাবে চুল শুষ্ক, পাতলা, ভঙ্গুর ও বিবর্ণ হয়।
শিশুদের ক্ষেত্রে ম্যারাসমাস ও কোয়াশিওরকর নামক দু’টি রোগে চুল পাকা দেখা দেয়। হৃদরোগীদের চুল খুব দ্রুত পেকে যায়, বিশেষ করে যারা উচ্চরক্তচাপ কিংবা করোনারি হার্টডিজিজে ভুগছেন তাদের চুল পেকে যাওয়ার ঘটনা বেশি। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্রন্থিতে সমস্যা দেখা দিলে চুল পাকে। প্রোজেরিয়া নামক রোগে ১২ বছরের আগেই শিশুর চুল পাকতে শুরু করে।
রথম্যান থমসন সিনড্রোম এবং ডিসট্রফিক মায়েরাটোনিয়া রোগেও চুল খুব তাড়াতাড়ি পেকে যায়। শরীরে ভিটামিন ‘বি’ ১২-এর অভাবেও চুল পাকে। 
এ ছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগে বিশেষ করে সোরিয়াসিস ও শ্বেতীরোগে চুল পাকতে পারে।
চুল পাকলে কী করণীয়?
অনেকের ধারণা চুলে নিয়মিত তেল না মাখলে চুল পেকে যায়। কিন্তু ধারণাটি ভ্রান্ত। চুল পাকার সাথে চুলে তেল দেয়া না দেয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। সত্যিকার অর্থে পাকা চুল কালো করার স্থায়ী কোনো উপায় নেই। একমাত্র কলপ ব্যবহার করে বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে। তবে যেসব রোগের জন্য চুল পেকে যায়- যদি রোগটি নির্ণয় করা সম্ভব হয় এবং রোগের চিকিৎসা করা যায় তাহলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকা চুল কালো হয়ে ওঠে। এ ছাড়া পাকা চুল কালো করার কোনো ওষুধ আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। কলপ মাখার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারো কারো ক্ষেত্রে কলপে এলার্জি হতে পারে। সেজন্য কলপ মাখার আগে ত্বকে একটু ঘষে নিয়ে, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে যদি এলার্জি না দেখা দেয়, তবে চুলে মাখা যেতে পারে। কিছু কিছু কোম্পানি চুল কালো করার তেল বা ওষুধের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ওইসব তেল বা ওষুধ চুলে মাখলে চুলে কালো একটি ক্ষণস্থায়ী প্রলেপ পড়ে, কিন্তু তা স্থায়ী কোনো সমাধান দিতে পারে না। বরং ওইসব তেল বা ওষুধ চুলে মাখার কারণে মাথার ত্বকে অনেক সময় এলার্জিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাই চুলে পাক ধরলে প্রথমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে চুল পাকার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা উচিত।
লেখিকা : সহযোগী অধ্যাপিকা ফার্মাকোলজি অ্যান্ড থেরাপিউটিক্স, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ। 
চেম্বার : দি বেস্ট কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ২০৯/২ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৬৮২২০১৪২৭ -
 See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/47208#sthash.9b3mbIkY.dpuf

Thursday, April 23, 2015

মানব মস্তিষ্ক নিয়ে ১০০টি বিস্ময়কর ও মজাদার তথ্য

অনাদিকাল থেকে মানব মস্তিষ্ক মানুষকে বিস্মিত ও হতবুদ্ধি করে চলেছে। অনেক বিজ্ঞানী এবং ডাক্তার মানব মস্তিষ্ক সম্পর্কে জানতে গিয়ে তাদের জীবনের পুরো সময় পার করে দিয়েছেন।
এটা কোনো বিস্ময়কর ব্যাপার নয় যে মানুষ এই অবিশ্বাস্য রহস্যজনক অঙ্গ সম্পর্কে জেনে আনন্দ লাভ করছে। নিচে আপনি মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করছে, কীভাবে উন্নতি করছে, কীভাবে মানুষকেই নিয়ন্ত্রণ করছে, কীভাবে এটা ঘুম, স্বপ্ন, স্মরণশক্তির ওপর প্রভাব বিস্তার করছে এ রকম আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন যা আপনাকে প্রভাবিত ও উপকারী করবে।
এই বিস্ময়কর ও মজাদার তথ্যগুলো জেনে আপনি যাচাই করুন আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতা। শিখুন এবং জানুন আপনার মস্তিষ্ক সম্পর্কে।
১. ওজন:মানুষের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ৩ এলবিএস।
২. সেরেব্রাম: সেরেব্রাম মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ এবং মস্তিষ্কের ৮৫ ভাগ ওজনই সেরেব্রাম বহন করে।
৩. আবরণ: মস্তিষ্কের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ ওজন হচ্ছে মস্তিষ্কের আবরণ বা চামড়ার।
৪. ধূসর পদার্থ: মস্তিষ্কের ধূসর পদার্থ তৈরি হয় নিউরন দিয়ে যা বিভিন্ন বাহ্যিক এবং আভ্যন্তরীণ সংকেত নিয়ন্ত্রণ করে।
৫. সাদা পদার্থ: সাদা পদার্থ Dendrite ও অ্যাক্সনের সূক্ষ্ম তন্তু দিয়ে তৈরি হয় যা নিউরনকে সংকেত পাঠানোর ক্ষেত্র সৃষ্টি করে।
৬. ধূসর ও সাদা পদার্থের পরিমাণ: মস্তিষ্কের ৬০ ভাগ সাদা পদার্থ এবং ৪০ ভাগ ধূসর পদার্থ।
৭. পানি: মানব মস্তিষ্কের ৭৫ ভাগ পানি রয়েছে।
৮. নিউরন: আপনার মস্তিষ্কে একশ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে।
৯. ব্যথাহীনতা: মস্তিষ্কে ব্যথা সংগ্রাহক কোনো অঙ্গ নেই তাই মস্তিষ্ক কখনো ব্যথা অনুভব করে না।
১০. শাখা-প্রশাখা: প্রত্যেক নিউরনে ১০০০ থেকে ১০,০০০ শাখা-প্রশাখা বা সিন্যাপসিস রয়েছে।
১১. সবচেয়ে বৃহৎ মস্তিষ্ক: হাতির মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের অপেক্ষা বৃহৎ হলেও হাতির মস্তিষ্ক তার দেহের ০.২৫ ভাগ যেখানে মানুষের মস্তিষ্ক তার দেহের ওজনের দুই ভাগ। এতে বোঝা যাচ্ছে মানুষের মস্তিষ্কই সবচেয়ে বড়।
১২. রক্ত সঞ্চালক শিরা: একশ মাইল লম্বা শিরা রয়েছে মানব মস্তিষ্ক।
১৩. চর্বি: মানুষের মস্তিষ্ক সবচেয়ে চর্বিবহুল অংশ এবং দেহের মোট চর্বির প্রায় ৬০ ভাগ।
মস্তিষ্কের বৃদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া
গর্ভাশয় থেকে শুরু করে মানব মস্তিষ্ক ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত নিজেকে বৃদ্ধি করে এক অবিশ্বাস্য পথে এগিয়ে যায়।
১৪. নিউরন: নিউরন বৃদ্ধির হার প্রথম ভ্রূণ সৃষ্টির পর থেকে প্রতি মিনিটে প্রায় ২৫০ হাজার।
১৫. জন্মের সময় আকৃতি: জন্মের সময় থেকে মানব মস্তিষ্ক পূর্ণাঙ্গ মানুষের মস্তিষ্কের আকৃতি নিয়ে আসে এবং মস্তিষ্কের প্রায় পূর্ণাঙ্গ কোষ নিয়েই আসে।
১৬. নবজাতকের বৃদ্ধি: নবজাতকের প্রথম বছর মস্তিষ্ক তিনবার আকারে বৃদ্ধি পায়।
১৭. বৃদ্ধিকরণের সমাপ্তি: মস্তিষ্ক ১৮ বছর বয়সের পর বৃদ্ধি হয় না।
১৮. সেরেব্রাল কর্টেক্স: মস্তিষ্ক যত ব্যবহৃত হয় ততই এর সেরেব্রাল কর্টেক্স মোটা হতে থাকে।
১৯. উদ্দীপকের ভূমিকা: একটি উদ্দীপক পরিবেশে শিশু ২৫% বেশি দক্ষ হয়ে গড়ে যে কোনো অনুদ্দীপক পরিবেশে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত শিশুর তুলনায়।
২০. নতুন নিউরন: মানুষের মস্তিষ্কের সারা জীবন ্লায়ু বৃদ্ধি করতে থাকে পরিবেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে।
২১. শব্দ করে পড়ার উপকারিতা: শব্দ করে পড়া এবং শিশুদের সাথে কথা বলা মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলজনক।
২২. আবেগ: আনন্দ, জয়, সুখ, ভয় এবং লজ্জা ইত্যাদি আবেগীয় অনুভূতি শিশু জন্ম থেকেই বহন করে। শুধু পরিবেশের এবং বৃদ্ধি প্রতিপালনের প্রক্রিয়া সেই আবেগীয় অনুভূতিকে আকার দেয়।
২৩. মস্তিষ্কের প্রথম অনুভূতি: প্রথম শিশু ত্বকের মাধ্যমে অনুভূতি পেতে শেখে। ঠোঁট এবং গালের স্পর্শ অনুভূতি জন্মায় আট সপ্তাহের মধ্যে এবং বাকি অনুভূতি জন্মের ১২ সপ্তাহের মধ্যে জন্মায়।
২৪. দ্বিভাষাকেন্দ্রিক মস্তিষ্ক: যেসব শিশু পাঁচ বছর বয়সের আগে দুটি ভাষা শেখে তাদের মস্তিষ্ক অন্যদের তুলনায় ভিন্ন হয় এবং তাদের ধূসর পদার্থ বেশি ঘন হয়।
২৫. মস্তিষ্কের ওপর যক্ষ্মার প্রভাব: বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে দেখা যায় যে, যেসব শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে যক্ষ্মার প্রভাব বেশি তাদের মস্তিষ্ক বেশি আঘাত পেয়ে থাকে।
মানব মস্তিষ্কের ক্রিয়া
২৬. অক্সিজেন: দেহের মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০ ভাগ মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে।
২৭. রক্ত: অক্সিজেনের মতো প্রায় ২০ ভাগ রক্তই মস্তিষ্ক আদান-প্রদান করে।
২৮. অবচেতন: যদি মস্তিষ্ক ৮ থেকে ২০ সেকেন্ড রক্ত না পায় তবে মানুষ জ্ঞান হারায়।
২৯. গতি: মানব মস্তিষ্ক তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে ন্যূনতম ০.৫ মিটার সেকেন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি ১২০ মিটার সেকেন্ড পর্যন্ত।
৩০. ক্ষমতা: যখন মস্তিষ্ক জেগে থাকে তখন মস্তিষ্ক ১০ থেকে ২৩ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে যা দিয়ে একটি বাল্ব জ্বালানো যায়।
৩১. হাই তোলা: এটা ধারণা করা হয় যে, একবার হাই তোলা মস্তিষ্কে বেশি অক্সিজেন পাঠাতে কাজ করে যাতে মস্তিষ্ক শান্ত হয় এবং একে জাগিয়ে রাখা যায়।
৩২. নিউকর্টেক্স: নিউকর্টেক্স মস্তিষ্কের প্রায় ৭৬ ভাগ অংশ তৈরি করে। মানুষের ভাষা আদান প্রদান এবং চেতনার জন্য নিউকর্টেক্স দায়ী। প্রাণীদের চেয়ে মানুষের মস্তিষ্কের নিউকর্টেক্স বেশি মোটা।
৩৩. ১০ ভাগ: মানুষের বয়স্ককালে মস্তিষ্ক ১০ ভাগ কাজ করে থাকে অন্য সময়ের তুলনায় এটা সত্যি নয়। মস্তিষ্কের প্রতিটা অংশই তার কাজ জানে।
৩৪. মস্তিষ্কের মৃত্যু: মস্তিষ্ক ৪ থেকে ৬ মিনিট অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে এবং তারপর মারা যেতে থাকে। ৫ থেকে ১০ মিনিট অক্সিজেন না থাকলে মস্তিষ্কের স্থায়ী সমস্যা দেখা দেয়।
৩৫. সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: যখন আপনি জ্বরে আক্রান্ত হবেন তখন মনে রাখবেন মানুষের মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ তাপ সহনীয় ক্ষমতা ১১৫.৭ ডিগ্রি এবং ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ বাঁচতে পারে।
৩৬. চাপ সহনীয় ক্ষমতা: যখন মানুষকে অত্যধিক চাপ সহ্য করতে হয় তখন মস্তিষ্কের কোষ, গঠন বা আকার এবং কাজ বাধাগ্রস্ত হয়।
৩৭. ভালোবাসাজনিত হরমোন এবং আত্মসংবৃত্তি: অক্সিটোক্সিন নামক হরমোন মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হয় এবং ভালোবাসা এবং আত্মসংবরণের জন্য দায়ী।
৩৮. খাবার এবং বুদ্ধিমত্তা: নিউইয়র্কের ১ মিলিয়ন শিশুর ওপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে যারা কৃত্রিম সুগন্ধকারক এবং প্রতিরোধক জীবাণুসম্পন্ন দুপুরের খাবার খায় না তাদের ১৪ ভাগই বুদ্ধিমত্ত্বায় অন্য অনেক শিশু যারা ওপরোল্লিখিত খাবার খায় তাদের তুলনায় ভালো করে।
৩৯. সমুদ্র থেকে প্রাপ্ত খাবার: ২০০৩ সালের মার্চ ডিসকভার পত্রিকার ৭ বছরের এক প্রতিবেদনে দেখা যায় যারা সমুদ্রের খাবার সপ্তাহে অন্তত একবার খায় তারা অন্য শিশুদের তুলনায় ৩০% কম মতিভ্রষ্টতা বা উন্মত্ততা রোগে আক্রান্ত হয়।
৪০. কাতুকুতু দেয়া: আপনি নিজে নিজেকে কাতুকুতু বা সুরসুরি দিতে পারবেন না কারণ আপনার মস্তিষ্ক আপনার স্পর্শ এবং অন্য কারও স্পর্শের পার্থক্য করতে পারে।
৪১. কল্পিত খেলার সাথী: অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় প্রমাণিত যে, যারা কল্পিত খেলার সাথী নিয়ে খেলা করে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি আদর যত্ন বা সোহাগ যা প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে ঘটে সে রকমভাবে বড় হয়।
৪২. মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারা: কোনো কথা ছাড়াই আপনি অন্যের সুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারবেন যেমন সে কি খুশি অথবা দুঃখিত কিংবা রাগান্বিত। মস্তিষ্কে অ্যামাগডালা নামক একটি ছোট অঞ্চল আছে যার মাধ্যমে আপনি অন্যের অভিব্যক্তি কোনো কথা ছাড়াই বুঝতে পারবেন।
৪৩. কানে শব্দ শোনা: অনেক বছর আগে ডাক্তাররা মনে করত কোনো বস্তুর ঝনঝনে শব্দ থেকে আমরা কানে শব্দ শুনতে পাই কিন্তু নতুনতম তথ্য হচ্ছে এই যে আমাদের শ্রবণশক্তির জন্যও মস্তিষ্কই দায়ী।
৪৪. পুরুষ এবং মহিলার আঘাতপ্রাপ্তিতে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া: বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে, পুরুষ এবং মহিলারা আঘাতে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখায় যা প্রমাণ করে কেন তারা দুঃখজনক ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা প্রদান করে।
৪৫.স্বাদ আস্বাদনে বিশেষত্ব: একটা শ্রেণী আছে যাদের জিহ্বায় বিভিন্ন স্বাদ আস্বাদনকারী গ্রন্থি রয়েছে যার ফলে তাদের মস্তিষ্ক খাদ্য এবং পানীয়ের ক্ষেত্রে বেশি প্রতিক্রিয়াশীল। এমনকি তারা বিভিন্ন গন্ধের পার্থক্য করতে পারে যা অন্যরা পারে না।
৪৬. ঠাণ্ডা: কিছু ব্যক্তি আছে যারা ঠাণ্ডার প্রতি বিশেষ প্রতিক্রিয়াশীল এবং ঠাণ্ডায় অসুস্থবোধ করে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা প্রমাণ করে তাদের দেহে এমন কিছু যোগাযোগ গ্রন্থি আছে যা মস্তিষ্কে খবর পাঠায় যে তাদের শীত লাগছে।
৪৭. সিদ্ধান্ত গ্রহণ: মহিলারা সিদ্ধান্ত গ্রহণে পুরুষ অপেক্ষা বেশি সময় নেয় কিন্তু সিদ্ধান্ত পালনে তারা পুরুষ অপেক্ষা বেশি দৃঢ় কারণ পুরুষেরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর অনেক ক্ষেত্রেই পালনে বেশি হেরফের করে ফেলে।
৪৮. ব্যায়াম: কিছু পরীক্ষা প্রমাণ করে যখন কোনো ব্যক্তি বেশি কাজে আগ্রহী আর কখনো কোনো ব্যক্তি একেবারেই অলস তা নির্ধারণ করে কেন কারও জন্য সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং ব্যায়াম করা কঠিন এবং কারও জন্য নয়।
৪৯. বিরক্তি: বিরক্তির সৃষ্টি হয় কিন্তু উদ্দীপকের পরিবর্তনের অভাবে যা বেশির ভাগ নির্ভর করে মস্তিষ্ক কীভাবে কোনো কাজকে গ্রহণ করছে এবং যা মানুষের সহজাত কৌশলের ওপর নির্ভর করে।
৫০. শারীরিক অসুখ: দেহ ও মনের সাথে এক ও অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক রয়েছে। এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে ৫০-৭০% লোকই ডাক্তারের কাছে আসে শারীরিক অসুখ নিয়ে তার কারণ তাদের মানসিক উপসর্গ।
৫১. মন খারাপ এবং কেনাকাটা: গবেষকরা দেখাচ্ছে নীলাঞ্জনারা তাদের দুঃখ কমাতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কেনাকাটা করে।
স্মরণশক্তি
৫২. ঘোর মন্থরতা: প্রায়শই ঘোর মন্থরতা আপনার স্মরণশক্তি যা সাধারণত চাপ সহনকারী হরমোনের নিঃসৃত হওয়ার কারণে ঘটে তার কারণ ঘটায়।
৫৩. নতুন যোগাযোগ: প্রত্যেকটি সময় যখন আপনি নতুন কিছু নিয়ে ভাবেন বা পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করেন তখন প্রত্যেকবার মস্তিষ্কের সাথে আপনার নতুন যোগাযোগের ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
৫৪. সম্পর্ক সৃষ্টি: স্মরণশক্তি বিভিন্ন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। তাই আপনি যদি কোনো কিছু মনে রাখতে চান বা মনে করতে চান তবে তার সাথে কিছু সম্পৃক্ত করে মনে রাখুন।
৫৫. সুগন্ধি এবং স্মরণশক্তি: স্মরণশক্তি সুগন্ধ দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়। তাই যারা সুগন্ধিদ্রব্য ব্যবহার করেন তারা বেশি গভীর স্মরণশক্তিমূলক আবেগ পেতে সক্ষম হন।
৫৬. স্মরণশক্তির ব্যাহত তৎপরতা: অ্যাগোসিনা হচ্ছে এমন একটি শব্দ যখন আপনি কোনো একটি শব্দ জানেন এবং যা আপনার জিহ্বার ডগায় কিন্ত যখন আপনার বলা দরকার তখন মনে আসি আসি করেও আসছে না।
৫৭. ঘুম: যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকেন তা হচ্ছে আপনার সবচেয়ে ভালো সময় যা আপনাকে সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে সব ঘটনা মনে রাখতে সাহায্য করে।
৫৮. নিদ্রাহীনতা: নিদ্রাহীনতা আপনার মস্তিষ্কের নতুন কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
৫৯. বিশ্বচ্যাম্পিয়ন: স্মরণশক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্যক্তি যার নাম বেন প্রিডমোর। তিনি মাত্র ৫ মিনিটে ৯৬টি ঐতিহাসিক ঘটনা মনে রাখতে পারতেন এবং ছাব্বিশ দশমিক দুই আট সেকেন্ডে পুরো তাশ হাত সাফল করতে পারতেন।
৬০. ইস্ট্রোজেন এবং স্মরণশক্তি: ইস্ট্রোজেন মস্তিষ্কের স্মরণশক্তির সক্রিয়তা বাড়াতে সাহায্য করে।
৬১. ইনসুলিন: ইনসুলিন দেহের রক্তে শর্করা কমাতে সাহায্য করে কিন্তু সম্প্রতিকালে বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে মস্তিষ্কে ইনসুলিন স্মরণশক্তির বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে।
ঘুম এবং স্বপ্ন
৬২. ঘুম এবং স্বপ্ন দেখে শুধু যারা স্বপ্ন মনে রাখতে পারে না তারা মনে করে তারা স্বপ্ন দেখে না। আসলে প্রত্যেকে স্বপ্ন দেখে।
৬৩. স্বপ্নের পরিমাপ: বেশির ভাগ লোক ১-২ ঘণ্টা স্বপ্ন দেখে এবং প্রত্যেক রাতে প্রায় ৪-৭টা স্বপ্ন দেখে।
৬৪. চিন্তার অবসাদ: যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকেন তখন আপনার মস্তিষ্ক থেকে এমন একটা হরমোন নিঃসৃত হয় যা আপনাকে স্বপ্নের অতল গহ্বরে নিয়ে যায় কিন্তু আপনার সক্রিয় আঙ্গিক ক্রিয়া নিবারণ করে এবং আপনাকে ঘুমের রাজ্যে জড়িয়ে চেতনাহীন বা অবসাদগ্রস্ত করে রাখে।
৬৫. ক্ষয়িত বা হারানো স্বপ্ন: স্বপ্নের ৫ মিনিট পর স্বপ্নের অর্ধেক স্মৃতি লোপ পায়। দশ মিনিট পর স্বপ্নের ৯০ ভাগ লোপ পায়। স্বপ্ন লিখে রাখুন যদি আপনি মনে রাখতে চান।
৬৬. মস্তিষ্কের তরঙ্গ: সমীক্ষা প্রমাণ করেছে যে মস্তিষ্কের তরঙ্গ অধিক সচল থাকে যখন আপনি স্বপ্ন দেখেন এবং যখন আপনি জেগে থাকেন সেই সময় থেকেও।
৬৭. রঙ: কিছু লোক প্রায় ১২ ভাগ লোক সাদা কালো স্বপ্ন দেখে যখন অন্যরা রঙিন স্বপ্ন দেখে।
৬৮. অন্ধ লোকও স্বপ্ন দেখে: স্বপ্ন হচ্ছে দৃশ্যমান কোনো বস্তু অপেক্ষা বেশি কিছু এবং অন্ধ লোকও স্বপ্ন দেখে। অন্ধ লোকটি স্বপ্নে ছবি দেখতে পারে কি না তা নির্ভর করে তারা জন্মকালীন অন্ধ বা জন্মের পর দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে কি না তার ওপর।
৬৯. নাক ডাকা: যদি আপনি নাক ডাকেন তবে আপনি স্বপ্ন দেখেন না।
৭০. স্বপ্নের সময়কাল: স্বপ্নের সময় যদি আপনি জেগে যান তবে আপনি সারা রাত ঘুমালে স্বপ্ন যেটুকু মনে রাখতে পারতেন তা অপেক্ষা বেশি মনে রাখতে পারবেন।
৭১. চিহ্ন: যারা স্বপ্নের মানে জানতে চান তাদের জন্য বলছি স্বপ্ন এমন কিছু উপস্থাপন করে যা আপনি ব্যক্তি জীবনে নন। অবচেতন মন চেষ্টা করে আপনার কাঙ্খিত কোনো কিছুর সাথে সংযোগ ঘটাতে। তাই স্বপ্ন হচ্ছে এক ধরনের সংকেতময় প্রতিবেদন।
৭২. অ্যাডেনোসাইন: ক্যাফেইন দেহে অ্যাডেনোসাইন প্রবেশে বাধা দেয় এবং সতর্কতা সৃষ্টি করে। বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে এই ক্যাফেইন না খাওয়া স্বাভাবিক নিদ্রা এবং ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা কমাতে সাহায্য করে।
৭৩. স্বপ্ন প্রদর্শনী: জাপানের গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন এমন এক যন্ত্র যা মনের চিন্তাভাবনার চিত্র দেখতে এমনকি স্বপ্নকে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে দেখাতে সক্ষম।
সভ্যতার এক বিস্ময়কর তথ্য
৭৪. উড়োজাহাজ এবং মাথাব্যথা: একটি গবেষণা প্রমাণ করেছে উড়া এবং মাথাব্যথার মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। বলা হয়েছে যারা প্লেন চালায় তাদের মধ্যে ৬ ভাগ লোক বেশি মাথাব্যথায় আক্রান্ত হয় যারা উড়োজাহাজে ভ্রমণ করছে তাদের অপেক্ষা।
৭৫. হাত সাফাই: ভোজবাজি বা জাদু দেখানো মস্তিষ্কের পরিবর্তন আনতে পারে সাত দিনের চেয়েও কম সময়ে। সমীক্ষণ দেখিয়েছে নতুন কিছু শেখা মস্তিষ্কে খুব দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে।
৭৬. ডিজনি এবং ঘুম: স্লিপ মেডিসিন নামক একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে যে কীভাবে মায়া ডিজনি খেলায় বিভিন্ন প্রাণীদের দিয়ে তাদের ঘুমের বিচ্ছেদ ঘটিয়ে খেলার নানা কৌশল শেখাতে গিয়ে।
৭৭. চোখ টেপা: প্রত্যেক সময় আমরা চোখের পাতা ফেলি এবং মস্তিষ্ক এটা করে এবং সব সময় সব কিছু দৃশ্যমান রাখাও যাতে পুরো পৃথিবী আমাদের সামনে অদৃশ্য না হয় যখন আমরা চোখের পাতা ফেলি। আমরা দিনের ভেতর প্রায় বিশ হাজার বার চোখের পাতা ফেলি।
৭৮. হাসি: কোনো কিছু শুনে বা দেখে হাসি পাওয়া এত সোজা নয় কারণ এর জন্য মস্তিষ্কের ৫টি অঞ্চলকে সক্রিয় হতে হয়।
৭৯. হাই সংক্রামক: কখনো লক্ষ করেছেন আপনার হাই তোলার পর আপনার চারপাশের লোকজন কী করছে? দেখা যাবে তারাও হাই তুলছে। কারণ বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন এটা প্রাচীন মানুষের সামাজিক আচরণের একটি অংশ।
৮০. মস্তিষ্কের সংরক্ষণ: হার্ভার্ড প্রায় ৭০০০ মস্তিষ্কের সংরক্ষণ করেছেন।
৮১. বাহ্যিক এলাকা: মহাবিশ্বের ঘনত্বের হেরফের মস্তিস্ককে বিভিন্ন উপায়ে আঘাত করে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন কীভাবে এবং কেন মানুষ চাঁদে পা রাখতে চায়।
৮২. গান: গান শুনলে বড় এবং ছোট উভয়ের মস্তিষ্কের ক্রিয়াশীলতা বুদ্ধি পায়।
৮৩. চিন্তা: মানুষের চিন্তা যা তারা বিশ্বাস করে তার সম্মুখীন হয় তারা প্রায় ৭০,০০০ বার।
৮৪. সব্যসাচী: যারা বামহাতি বা সব্যসাচী তাদের মস্তিষ্কের দুটি খণ্ডের সংযোজক অঙ্গ যার নাম করপাস কোলোসাম যেটি ১১ ভাগ বেশি চওড়া ডানহাতি লোকদের তুলনায়।
৮৫. চাপসম্পন্ন কাজ: একটি সমীক্ষণে দেখা যায় প্রথমে হিসাবরক্ষক, তারপর লাইব্রেরিয়ান, তারপর বাস ও ট্রাকচালক সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথায় ভুগে থাকে।
৮৬. অ্যারিস্টটল: অ্যারিস্টটল ভুলবশত ভেবেছিলেন মস্তিষ্কের সব কাজ হৃৎপিণ্ডে ঘটে।
৮৭. স্বজাতি ভক্ষণ: কিছু পরীক্ষা প্রমাণ করেছে যে, মানুষের দেহে এমন কিছু জিন রয়েছে যা তাদের স্বজাতি ভক্ষণ রোগ থেকে দূরে রাখে। এ থেকে ধারণা করা হয় যে আদিকালের মানুষ তাদের নিজেদের মাংস ভক্ষণ করত।
৮৮. শেক্সপিয়ার: ব্রেইন শব্দটি শেক্সপীয়রের শেক্সপিয়ার প্রায় ৬৬ বার ব্যবহার করেছিলেন।
৮৯. আলবার্ট আইনস্টাইন: আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের আকার সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কের আকারের সমান ছিল। শুধু মস্তিষ্কের যে অংশ গণিত এবং তৎসংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত সেটি আকারে ভিন্ন ছিল। ওই অংশটি প্রায় ৩৫ ভাগ চওড়া ছিল সাধারণ মানুষের তুলনায়।
৯০. লন্ডনের টেক্সি ড্রাইভার: লন্ডনের টেক্সি চালকরা বিখ্যাত ছিল লন্ডনের মতো বিশাল এলাকায় রাস্তাঘাট চেনার জন্য। তাদের মস্তিষ্ককে বলা হতো হিপোক্যাম্পাস বা বিশাল অঞ্চল। বিশেষত যারা অনেক দিন ধরে টেক্সি চালায়। এ জন্য যারা বেশি মনে রাখতে চায় তাদের মস্তিষ্ক ক্রমান্বয়ে বড় হতে থাকে।
৯১. সপ্তম লেনিন: লেনিনের মৃত্যুর পর তার মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে দেখা গেছে তার মস্তিষ্ক অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং কিছু অংশে অসংখ্য নিউরন রয়েছে যা ব্যাখ্যা দান করে তার তীব্র এবং আক্রমণাত্মক তীক্ষ্ন অত্যাচারী মনোভাবের এবং যার জন্য তিনি বিখ্যাত।
সবচেয়ে পুরাতন মস্তিষ্ক
৯২. পুরাতন মস্তিষ্ক: ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২০০০ বছর পুরানো মস্তিষ্কের সন্ধান পাওয়া গেছে।
৯৩. বেব রুথ: কলম্বিয়ার মনোবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্র বেবের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে দেখেছে যে,এতে প্রায় ৯০ ভাগ বেশি কাজের দক্ষতা সম্বন্ধীয় বস্তু রয়েছে যা সর্বাধিক মানুষের থাকে ৬০ ভাগ।
৯৪. ডানিয়েল ট্যামেট: ডানিয়েল ট্যামেট যে ছিল আত্মসংবেদী পণ্ডিত তার তিন বছর বয়সে মৃগী সংক্রান্ত অপারেশন ঘটে। তিনি তিন বছর বয়স থেকে গণিতে পারদর্শী ছিলেন এবং সাতটি ভাষা জানতেন এবং নিজে নিজে শব্দ বা ভাষা সৃষ্টিতে সক্ষম ছিলেন।
৯৫. কেউথ জ্যারেট: এই যাজক এবং গায়ক তিন বছর বয়স থেকে নিখুঁত ধর্ম উপদেশ দিতে পারত এবং বিজ্ঞানীরা তার মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে দেখেছিল যে তার মস্তিষ্কে ডান দিকের সম্মুখ ভাগ কিছুটা উঁচু ছিল।
৯৬. ২০০০ অব্দ: নৃবিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে ওই সময়ে মস্তিষ্কের খুলিতে ছিদ্র করার মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হতো
৯৭. ১৮১১: স্কটিশ সার্জন চার্লস বেল ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে প্রতিটি অনুভূতির একটি যোগাযোগ কেন্দ্র রয়েছে মস্তিষ্কে।
৯৮. ১৮৯৯: অ্যাসপিরিন নামক ওষুধটি ব্যথা নিবারক হিসেবে বাজারজাত হয়েছিল কিন্তু ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া এটি নিষিদ্ধ ছিল ১৯১৫ সাল পর্যন্ত।
৯৯. ১৯২১: হারমান রোরসাচ আবিষ্কার করেছেন বিখ্যাত ইনক ব্লট পরীক্ষা।
১০০. ১৯৫৯: প্রথম ক্ষুদ্র লেজবিশিষ্ট বানর মহাশূন্যে পাঠানো হয়েছিল মানুষের আচরণ পরীক্ষার জন্য।

Thursday, April 16, 2015

সকালে ঘুম ভাঙার পরেও ক্লান্তি আসে কেন?

সারারাত ঘুমোনোর পরেও সকালে ফ্রেশ লাগার বদলে ক্লান্ত লাগছে। কিন্তু কেন এরকম হয়? এই প্রশ্ন আপনার আমার প্রায় সবার মনে এই প্রশ্ন জন্মাতে পারে। আজকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য সেই ক্লান্ত অনুভব করার কারণ ও এর সমাধান তুরে ধরা হলো। -

কি কি কারণ?
১. স্লিপ অ্যাপনিয়া সিনড্রোম নামের অসুখে প্রবল নাক ডাকার সঙ্গে শ্বাসবন্ধ হয়ে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙে যায় বলে কম ঘুমের ফলে সকালে ক্লান্তি গ্রাস করে ৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ২. ওবেসিটি। ৩. টেনশন, ডিপ্রেশন। ৪. ঘুমের ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ফলেও হতে পারে। ৫. রাতে মদ্যপান। ৬. অতিরিক্ত কাজের চাপ, স্ট্রেস। ৭. গর্ভাবস্হার শুরুতে হাইপোথাইরয়েডিজম, অ্যানিমিয়া ইত্যাদি অসুখে সারাদিনই অল্পবিস্তর ক্লান্তি থেকেও সারারাত ঘুমোনোর পরেও সকালে অনেকসময় ফ্রেশ লাগে না।
কী করতে হবে?
১. মেদের সমস্যা থাকলে ওজন কমান। ২. মদ্যপানের অভ্যাস তা পরিত্যাগ করতে হবে। ৩. নিজেকে টেনশনমুক্ত রাখুন। ৪. এক্সারসাইজ। ৫. হেলদি ডায়েট।
বিডি-প্রতিদিন/১৪ এপ্রিল, ২০১৫/মাহবুব

Friday, March 13, 2015

স্ট্রবেরির নানা গুণ

ফলটির নাম স্ট্রবেরি। বাংলাদেশেই এখন চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাজার ছেয়ে গেছে এই টুকটুকে লাল ফলে। স্ট্রবেরির আদি বাস ইতালির রোমে। দারুণ স্বাদ আর নানা উপকারিতার জন্য দ্রুত ফলটির কদর ছড়িয়ে পড়ে সারা ইউরোপে। ফ্রান্সে স্ট্রবেরিকে বিশেষ কদর করা হয়। এই ফলের গুণ অনেক। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম। আর সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি খাওয়া ভালো। স্ট্রবেরিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে। আর হৃদ্যন্ত্রের জন্যও এই ফল ভালো।
সূত্র: ওয়েবএমডি

ত্বকচর্চায় মৌসুমি ফল

এখন বাজারে মৌসুমি ফল কিনতে যাওয়ার সময় একটু বেশি করেই কিনুন। খাওয়ার পাশাপাশি তা ত্বকচর্চার কাজেও লাগবে যে! জেনে নিন নানা রকম ফলের উপকারিতা।
অনেকে বলেন, ফল খেলে ত্বকের লাবণ্য পাওয়া যায় ধীরে ধীরে কিন্তু তা স্থায়ী হয়। আর রূপচর্চায় ব্যবহার করলে তা ঝটপট কাজ করলেও স্থায়িত্ব হয় কম। এ কথার সঙ্গে একমত হলেন বারডেম হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার। তিনি বলেন, ‘ফল খাওয়া এবং রূপচর্চায় ব্যবহার, দুটোই যদি একসঙ্গে করা যায় তবে বেশি ভালো।’ কিন্তু কোনো ফল কিংবা এর রস সরাসরি ত্বকে ব্যবহার না করার পরামর্শ দিলেন তিনি। কেননা ফলের অ্যাসিড ত্বক পুড়িয়ে দিতে পারে। তাই ফল কিংবা এর রসের সঙ্গে অন্য কিছু মিশিয়ে রূপচর্চায় ব্যবহার করতে হবে।
এই মৌসুমে যেসব ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো কীভাবে রূপচর্চায় সাহায্য করতে পারে তার কিছু উপায় বলে দিলেন হারমনি স্পার রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা।
রাহিমা সুলতানা আরও জানালেন, ত্বকের যত্নে যখনই কোনো প্যাক ব্যবহার করা হোক না কেন অবশ্যই প্যাক তুলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। 
কমলা১ চামচ কমলার রসের সঙ্গে ১ চামচ গুঁড়া দুধ, ১ চামচ আলুর রস এবং পরিমাণমতো আতপ চালের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি ত্বকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটিও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো।
আপেল১ চামচ আপেল কুচির সঙ্গে ১ চামচ পাকা কলা ও ১ চামচ মধু মিশিয়ে ২০ মিনিট ত্বকে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। 
আঙুর১ চামচ আঙুরের রস, ১ চামচ বেসন ও ১ চামচ টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে ১০ মিনিট ত্বকে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। রোদে পোড়া ভাব দূর করে এই মিশ্রণ। এ ছাড়া ত্বকের দাগ দূর করে ত্বককে নরম করতেও আঙুরের মিশ্রণ বেশ উপকারী। 
লেবু১ চামচ লেবুর রস ও ১ চামচ আলুর রসের সঙ্গে ১ চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে হাতের কনুইয়ের কালো দাগের ওপর ঘষলে কালো দাগ দূর হবে।
স্ট্রবেরিস্ট্রবেরি পাল্পের সঙ্গে বেসন অথবা বুটের ডাল বাটা মিশিয়ে মিশ্রণটি ত্বকে লাগাতে পারেন। এই মিশ্রণ তৈলাক্ত ত্বকে তেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রাগ কমানোর সহজ উপায়

আজকাল অনেকেই বলছেন, ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।’ কিন্তু ব্যাপারটা তো আসলে কেবল হার–জিতের নয়। রাগের মাথায় আমরা অনেক কথাই বলি, অনেক কিছুই করে ফেলি। মুশকিলটা এখানেই। রাগান্বিত অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক না। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করে মাথা ঠান্ডা রাখাটা জরুরি। বাড়িতেই হোক কিংবা কর্মক্ষেত্রে বা বন্ধুদের আড্ডায়, হঠাৎ রাগ হতেই পারে। আকস্মিক রাগ নিয়ন্ত্রণে নিচের বিষয়গুলো চর্চা করে দেখতে পারেন।
গভীরভাবে শ্বাস নিন
যদি বুঝতে পারেন যে আপনার রাগ হচ্ছে, তাহলে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। গভীর দম নিয়ে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মন অন্যদিকে যাবে। আর গভীর শ্বাস তাৎক্ষণিকভাবে আপনার মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়াবে, মাথায় রক্ত চলাচল হবে। ফলে আপনি একটু চাঙা বোধ করবেন। ঠান্ডা মাথায় বিষয়গুলো ভাবার সময় পাবেন।
ঠোঁট বন্ধ রাখুন
রাগ উঠে গেলে বা কেউ খোঁচাতে থাকলে মুখ বন্ধ করে রাখাটা কঠিন বটে। কিন্তু এ সময় ঠোঁটে তালা মেরে রাখতে পারাটা দারুণ কার্যকর। অপরপক্ষকে মনের ঝাল মেটাতে দিন কিন্তু আপনি টুঁ শব্দটিও করবেন না। এর মধ্য দিয়ে অপরপক্ষের মনের কথাগুলো আপনি জেনে গেলেন। ধৈর্য ধরে রাখতে পারলে পরে বিষয়গুলো নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। এই চর্চা আপনাকে শক্তিমান করবে।
চোখ বন্ধ, কানও বন্ধ
রাগের মাত্রা আরও বেড়ে গেলে শুধু ঠোঁট নয়, চোখ আর কানও বন্ধ করে ফেলতে হবে। এই পরামর্শে মেজাজ খারাপ হতে পারে বটে, কিন্তু এটা সত্যিই কার্যকর। যে আপনাকে রাগিয়ে দিচ্ছে বা যা নিয়ে আপনি রেগে যাচ্ছেন, কিছুক্ষণের জন্য নিজেকে সেখান থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন। যেন আপনি সেখানে থেকেও নেই। তবে আপনার অভিব্যক্তিতে এমন কিছুই আনবেন না, যা আপনার প্রতিপক্ষকে আপনার মনের ভাব বুঝতে দেয়। আপনি কেবল সাময়িকভাবে দেখাশোনা বন্ধ করে দিন।
একটু হেঁটে আসুন
ঘটনার শুরু যেভাবেই হোক না কেন, রাগারাগিতে কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না। রাগ সামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও ঘটনাস্থল ত্যাগ করুন। একটু হেঁটে আসুন। এতে রাগারাগি আর না বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে আর আপনার মনও হয়তো একটু শান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।
ধ্যান করুন
নিয়মিত একটু সময়ের জন্য মেডিটেশন বা ধ্যান করার চর্চা করুন। এটা আপনার চরিত্রে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। ধ্যানচর্চায় অভ্যস্ত হলে আপনি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে না দিয়েই যেকোনো সময় নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়ার রোগ থাকলে সেটাও সেরে যেতে পারে নিয়মিত ধ্যানে।

Tuesday, December 23, 2014

এ সময়ে ত্বকের যত্ন


শীতের শুষ্ক আবহাওয়া ত্বকের স্বাভাবিক তেলের আস্তরণ শুষে নেয়। ফলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হতে থাকে। বিশেষ করে একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস এবং অ্যালার্জিজনিত রোগে যারা ভুগে থাকেন, তাদের অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং সুস্থদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ জন্য শীতে ত্বকের জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।
গোসল : কুসুম কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময়ে গোসল শেষ করুন। গোসলে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষারীয় সাবান ব্যবহার করুন। ত্বকের ধরন আনুযায়ী সাবান নির্বাচনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে যারা ভুগে থাকেন, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে অটামিল বা সি সল্ট বাথ নিতে পারেন।
ময়েশ্চারাইজার : আপনি একজিমা, সরিয়াসিস, ইকথাওসিস ইত্যাদি রোগে ভোগেন কিনা ভোগেন, শীতে ত্বক স্বাভাবিক রাখতে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ময়েশ্চারাইজার ত্বকের নিঃসৃত তেল সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং ত্বক মসৃণ রাখে। গোসলের পর পরই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। পোশাক : টাইট ফিট এবং সিনথেটিক পোশাক ত্বককে আরও শুষ্ক ও রুক্ষ করে এবং অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। কাজেই আরামদায়ক এবং প্রাকৃতিক তন্তু দ্বারা তৈরি পোশাক পরিধান করুন। পলিস্টার, লিলেন, নায়লন ইত্যাদি পরিহার করুন এবং কটন, সিল্ক দ্বারা তৈরি পোশাক পরিধান করুন।
হিউমিডিফায়ার : রুমে জলীয়বাষ্প ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। এটির মাধ্যমে রুমের জলীয়বাষ্প ৪০-৬০% এ রাখুন। একজিমা, ইকথাওসিস রোগে যারা ভুগেন, তাদের জন্য হিউমিডিফায়ার ভূমিকা রাখে।
ডা. এমআর করিম রেজা, চর্ম ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ, এশিয়ান জেনারেল হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা

Tuesday, December 9, 2014

চুল পড়া রোধে আপনার করনীয়



চুল আমাদের দেহের একটি গুরুত্বপূরর্ন অংশ কারন কারো মাথায় যদি চুল না থাকে বিশেষ করে মেয়েদের মাথায় তাঞলে কেমন দেখায় আপনি বলেন। কম বেশি চুল সকলের মাথা থেকে ওঠে তা সে যে কারনেই হোক বিভিন্ন কারনে মাথার চুল উঠতে পারে। চুল উঠা নিয়ে আর চিন্তা নয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনারাে নিচের টিপস গুলো আনুসরন করতে পারেন।

১. দুই চামচ জলপই তেলের সাথে একটি ডিমের কুসুম ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটাকে চুলে লাগান। ১ ঘন্টা মাথায় রাখার পর ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মাসে ৪-৫ বার এটি ব্যবহার করতে এটি পারেন।


২. সবুজ শাক সবজি ফলমূল বেশি ও বেশি বেশি করে প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি করে খাবেন যেমন ডিম দুধ ইত্যাদি ও প্রচুর পানি পান করুন।


৩. নারকেলের তেলের সাথে আমলা ও জবাফুল এক সঙ্গেমিসিয়ে গরম করুন। এবং প্রতিবার শ্যমাপু করার আগে মাথায় লাগান।


৪. প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে মাথা আচড়ে বেনি করে ঘুমাবেন তাতে চুল পড়া আনেক কমবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন চুলের বেনি কখনই টাইট করে বাধবেন না।


৫.  নারিকেল তেলের ভিতর দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষন করে রাখুন এবং প্রতিদিন গোসলের পূর্বে  শাথায় লাগান। এগুলো মেনে চললে অবশ্যই আপনারা আপনাদের চুল পড়া সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

Saturday, November 15, 2014

শীতের সর্দি-কাশি রুখতে যেসব খাবার খাবেন

প্রকৃতিতে শীতের আবির্ভাব ঘটবে আর কিছুদিনের মধ্যেই। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে সর্দি-কাশি হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু সর্তকতার সাথে চলতে পারলে এই স্বাভাবিক ব্যাপারটিও রুখে দেয়া সম্ভব। খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করে শীতের সর্দি-কাশি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

মাছ
মাছের ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। ফলে সাধারণ সর্দি-কাশি দেহে বাসা বাঁধতে পারে না।
রসুন
কাঁচা রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাধারণ ঋতু পরিবর্তনের সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে সবচাইতে ভালো কাজ করে। তাই প্রতিদিন ১-২ কোয়া কাসা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন।
আদা চা
শীতের সর্দি-কাশি রুখে দিতে সাধারণ দুধ চা পান কড়া ছেড়ে দিন। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং গরম গরম চা ফ্লুয়ের বিরুদ্ধে বেশ ভালো কাজ করে।
মাশরুম
মাশরুমে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ভিটামিন এবং ফাইবার যা সর্দি-কাশি রোধের পাশাপাশি দেহের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
মিষ্টি আলু
শীতের খাবার এই মিষ্টি আলুর রয়েছে এই শীতকালের নানা ফ্লু জনিত রোগের হাত থেকে মুক্তির ক্ষমতা। এর ভিটামিন এ আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করতে বেশ কার্যকরী।

Image

Free Updates to Email
Follow Me:
facebook twitter gplus pinterest rss
https://www.facebook.com/rubel29bd