বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিনামূল্যে আসল মাষ্টার কার্ড নিয়ে নিন!!

সুবিধাগুলো ০১. ১০০% আসল মাষ্টার কার্ড আপনার কাছে পাঠানো হবে। ০২. প্রায় সকল ওয়েবসাইটে কেনাকাটা করতে পারবেন (যেমন hostgator, namecheap, godaddy, amazon etc)

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, September 4, 2014

ঘরে বসে আয়-1


ফ্রিল্যান্সিং করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেরই নতুন এই ক্ষেত্রটিতে আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়। পাঠকদের কাছে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত। আজকে রইলো এর প্রতিবেদনটির প্রথম পর্ব।
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং শব্দ দুটি বাংলাদেশে অনেকের কাছেই পরিচিত। দেশের প্রচুর ওয়েবসাইট ডেভেলপার, গ্রাফিকস ডিজাইনার, রাইটার, মার্কেটার বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সফলতার সাথে কাজ করছেন, আবার অনেকেই নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন। নতুনদের কাছে যে বিষয়টা প্রায়ই শোনা যায় তা হলো এই পেশায় সহজে সাফল্য পাওয়া যায় না। বিষয়টা কিছুটা হলেও সত্যি। যেকোনো একটি নির্দিষ্ট কাজের এবং ইংরেজি মাধ্যমে যোগাযোগের দক্ষতা না থাকলে আসলে এই পেশায় সাফল্য পাওয়া কঠিন। অবশ্য শুধু এই দুইটি যোগ্যতা থাকলেই যে সাফল্যের চূড়ায় যাওয়া যাবে, তাও ঠিক নয়। সাময়িক সাফল্য পাওয়া এবং নিজেকে একটি পেশায় প্রতিষ্ঠিত করা এক কথা নয়। যদি লম্বা ভবিষ্যত্ ঠিক করে এই পেশায় এগিয়ে যেতে চান তাহলে নিজেকে একটি সম্পূর্ণ প্যাকেজ হিসেবে তৈরি করতে হবে, যাতে শুধু কাজের দক্ষতা নয়, অন্যান্য সব দিক দিয়ে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের একজন পেশাজীবী হিসেবে তৈরি করা যায়।
আউটসোর্সিং বিষয়টি কী?ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিং সাইটে যিনি কাজ করেন তাঁকে বলে কনট্রাক্টর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)। আর যিনি কাজ দেন তাঁকে বলে বায়ার/ক্লায়েন্ট (তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)।
যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়আউটসোর্সিং সাইটের কাজগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকে। যেমন: ওয়েব 
 ডেভেলপমেন্ট (Web Development), সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট (Software
Development), নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (Networking & Information Systems), লেখা ও অনুবাদ (Writing & Translation), প্রশাসনিক সহায়তা (Administrative Support), ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া (Design & Multimedia), গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন (Sales & Marketing), ব্যবসা-সেবা (Business Services) ইত্যাদি।
ওয়েব ডেভেলপমেন্টঅনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন কাজের সুযোগ রয়েছেএই বিভাগের মধ্যে আছে আবার ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ই-কমার্স, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, ওয়েবসাইট টেস্টিং, ওয়েবসাইট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টএই বিভাগের মধ্যে আছে ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, গেম ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্ট ও ইউটিলিটি, সফটওয়্যার প্লাগ-ইনস, মোবাইল অ্যাপিস্নকেশন, ইন্টারফেস ডিজাইন, সফ্টওয়্যার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফ্টওয়্যার টেস্টিং, ভিওআইপি ইত্যাদি।
নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমএর মধ্যে আছে নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিবিএ (ডেটাবেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন), সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইআরপি/সিআরএম ইমপিস্নমেনটেশন ইত্যাদি।
রাইটিং ও ট্রান্সলেশন
এর মধ্যে আছে টেকনিক্যাল রাইটিং,  ওয়েবসাইট কনটেন্ট, বস্নগ ও আর্টিকেল রাইটিং, কপি রাইটিং, অনুবাদ, ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইত্যাদি।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট
এর মধ্যে আছে ডেটা এন্ট্রি, পারসোনাল অ্যাসিসট্যান্ট, ওয়েব রিসার্চ, ই-মেইল রেসপন্স হ্যান্ডলিং, ট্রান্সক্রিপশন ইত্যাদি।
ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া
এর মধ্যে আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, প্রিন্ট ডিজাইন, থ্রিডি (3D) মডেলিং, অটোক্যাড, অডিও ও ভিডিও প্রোডাকশন, ভয়েস ট্যালেন্ট, অ্যানিমেশন, প্রেজেন্টেশন, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল ডিজাইন ইত্যাদি।
কাস্টমার সার্ভিস
এর মধ্যে আছে কাস্টমার সার্ভিস ও সাপোর্ট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ফোন সাপোর্ট, অর্ডার প্রসেসিং ইত্যাদি।
সেলস ও মার্কেটিং
এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপন, ই-মেইল মার্কেটিং, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন), এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং), এসএমএম (সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং), পিআর (পাবলিক রিলেশনস), টেলিমার্কেটিং ও টেলিসেল্স, বিজনেস প্ল্যানিং ও মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ ও সার্ভে, সেলস ও লিড জেনারেশন ইত্যাদি।
বিজনেস সার্ভিসেস
এর মধ্যে আছে অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, এইচআর/পে-রোল, ফাইন্যানসিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড পস্ন্যানিং, পেমেন্ট প্রসেসিং, লিগ্যাল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কনসালটিং, রিক্রুটিং, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ ইত্যাদি।
কোন কাজের কী যোগ্যতা
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
এই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করা জানতে হবে। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন এইচটিএমএল, পিএইচপি, জাভা স্ক্রিপ্ট, সিএসএস, ডেটাবেইস (মাইএসকিউএল) ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এই ভাষাগুলোর ওপর দু-একটা টেস্ট দেওয়া থাকলে কাজ পেতে সুবিধা হবে।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
এই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে সফ্টওয়্যার তৈরি করা জানতে হবে। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন জাভা, সি-শার্প, ভিজুয়্যাল বেসিক, ডেটাবেইস (মাইএসকিউএল, ওরাকল, এমএস এসকিউএল সার্ভার) ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এই ল্যাঙ্গুয়েজগুলোর ওপরও এক-দুইটা টেস্ট দেওয়া থাকলে কাজ পেতে সুবিধা হবে।
নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম
এই বিভাগের কাজের জন্য ডেটাবেজ, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
অনলাইনে কাজের জন্য চাই দক্ষতালেখা ও অনুবাদ (রাইটিং ও ট্রান্সলেশন)এই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে, কারিগরি জ্ঞান থাকতে হবে, ওয়েবসাইট, ব্লগ, ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। লেখালেখির অভ্যাস থাকলে ভালো হয়।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্টএই বিভাগের কাজগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ। মূলত কপি পেস্টের কাজ। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট, বস্নগ, ই-মেইল, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (ফেসবুক, গুগলপ্লাস, টুইটার) ইত্যাদি সাইটগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়াএই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে গ্রাফিক্সের কাজ জানতে হবে। ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ফ্লাশ ইত্যাদি জানা থাকলে লোগো ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ খুব সহজেই করা যায়। অডিও, ভিডিও এডিটিংয়ের ওপরও অনেক কাজ পাওয়া যায়।
কাস্টমার সার্ভিসএই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। দ্রুত ইংরেজি লেখা এবং বলা দুটোতেই দক্ষ হতে হবে।
সেলস ও মার্কেটিং
এই বিভাগের কাজের জন্য আপনার ই-কমার্স সাইটগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইট, ব্লগ, ই-মেইল, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (ফেসবুক, গুগলপ্লাস, টুইটার), মার্কেটিং, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
বিজনেস সার্ভিসেস
এই বিভাগের কাজের জন্য আপনার ব্যবসায়িক জ্ঞান থাকতে হবে। লেনদেনের বিভিন্ন মাধ্যম (পেমেন্ট মেথড) সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
কাজ পাবেন যেখানে
আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায় এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে। আবার অনেক ভুয়া সাইটও বের হয়েছে। ফলে সতর্ক হয়েই কাজ শুরু করা ভালো। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা হলো-
মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল
অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্স ও ওডেস্ক এখন একসঙ্গেই কাজ করছেবর্তমানে ৪-৫টি আন্ত্মর্জাতিক মানের ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে কাজ করে বড় ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। এই মার্কেটপ্লেসগুলোর প্রতিটিতেই একটি বিষয় কমন থাকে আর সেটা হলো একটি ভালো প্রোফাইল তৈরি করা। সাধারণ কাজে যেমন সিভি দেখে চাকরি দেয়া না দেয়ার বিষয়টি নির্ধারণ হয় তেমনি অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও আপনার প্রোফাইল দেখেই ক্লায়েন্ট বিবেচনা করবে আপনি কাজ পাওয়ার যোগ্য কি না। এর জন্য প্রোফাইলকে যতটুকু সম্ভব আকর্ষণীয় করে তৈরি করুন। প্রোফাইলে যেগুলো না থাকলেই নয়-
হাসিমুখে তোলা একটি ছবি যেখানে আপনার চেহারা পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ভালো। ইল্যান্স.কমে ফ্রিতেই প্রচুর স্কিল টেস্ট দেয়া যায়। স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ক্লায়েন্ট বুঝবে যে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নতুন অথবা অভিজ্ঞ যা-ই হোন না কেন সেই স্কিলে আপনার যথেষ্ট তাত্ত্বিক জ্ঞান আছে।
পোর্টফলিও আইটেম যোগ করা উচিত। পোর্টফলিও আইটেম হিসেবে নিজের তৈরি লোগো, নিজের বানানো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট, ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা কোনো প্রেজেন্টেশন, কোনো সার্টিফিকেটের স্ক্যান করা ইমেজ ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। এর সাথে যদি স্কিল টেস্ট থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট জেনে যাবে যে আপনার শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান আছে তাই নয়, তার সাথে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে।
বিষয়টি অনেকটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার মতো। একদম খালি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠালে যেমন কেউ আপনাকে সহজে অ্যাড করবে না, ঠিক তেমনি একদম খালি, অনাকর্ষণীয় একটি ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল তৈরি করে কাজে আবেদন করলে ক্লায়েন্টরাও সাড়া দেবে না।

সামাজিক যোগাযোগে পোস্ট লিখে আয়!


ফেসবুকে পোস্ট লিখলেই কি আর টাকা মেলে? সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক, টুইটারে পোস্ট লিখে শুধু মনের খোরাক হয়, অর্থ আয় করা যায় না। ফেসবুকে আপনার লেখা পোস্ট লাইক, শেয়ারে ভরে যাবে কিন্তু অর্থ-কড়ি কিছুই আসবে না। আপনি কষ্ট করে পোস্ট লিখবেন আর আপনার লেখা সে পোস্ট থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করবে ফেসবুক? এই ধারণাটি পরিবর্তন করার চেষ্টাও চলছে প্রযুক্তি বিশ্বে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুটি উদ্যোগ এই ধারণাকে পরিবর্তন করে দিতে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি এ ধরনের সাইট ব্যবহারকারীরা যাতে অর্থ উপার্জন করতে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে ‘বাবলিউজ’ ও ‘বোনজো মি’ নামের দুটি সাইট তৈরি হয়েছে। ইকনমিক টাইমসে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বাবলিউজ হচ্ছে একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, যেটি সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু করেছে। এই সাইটে পোস্ট লিখে অর্থ আয় করতে পারবেন ব্যবহারকারী। যার পোস্ট যত ভিজিটর ও বিজ্ঞাপন টানবে তার তত বেশি অর্থ আয় হবে। বোনজো মির উদ্যোক্তারাও এই ধারণা নিয়েই কাজ শুরু করেছেন।
বোনজো মির উদ্যোক্তা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মাইকেল নুজবাম বলেন, ‘অনেকের মতোই আমার মনে হয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে যথেষ্ট সুবিধা নিয়ে এসেছে। ফেসবুক প্রচুর অর্থ কামাচ্ছে আর ফেসবুকে যাঁরা কনটেন্ট দিচ্ছেন তাঁরা কিছুই পাচ্ছেন না। বোনজো মি ব্যবহারকারীদের বিজ্ঞাপন থেকে যে অর্থ আয় হবে তার ৮০ শতাংশ দিয়ে দেবে।
অবশ্য ব্যবহারকারীদের অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাবলিউজের ধারণাটি আরও জটিল। প্রতিটি পোস্ট কতবার ক্লিক হচ্ছে এবং তা কতখানি জনপ্রিয় হচ্ছে তার ভিত্তিতে অর্থ পরিশোধ করবে এই প্রতিষ্ঠানটি।
বাবলিউজের প্রধান নির্বাহী আরভিন দীক্ষিত বলেন, আমাদের সাইটে আসার জন্য কাউকে চাকরি ছাড়ার দরকার নেই। আমরা ব্যবহারকারীদের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চাই। সামাজিক যোগাযোগের সাইট এমন হওয়া উচিত নয় যেখানে আপনাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে হবে।
এই সাইটে লেখা পোস্ট যেন আজেবাজে না হয় এবং তা যেন কাজের উপযোগী পোস্ট হয় সে বিষয়টিতে উত্সাহ দিতেও কাজ করছে বাবলিউজ। এই সাইটে প্রতিটি পোস্ট কমপক্ষে ৪০০ অক্ষরের হতে হবে।
এই ধরনের উদ্যোগ কী সফল হবে? প্রযুক্তি বিশ্লেষক রব এনড্রিলের মতে, বাবলিউজের মতো এ ধরনের উদ্যোগ মানুষকে আকর্ষণ করবে। কারণ, বিনামূল্যে কনটেন্ট পাওয়ার মডেল স্থায়ী নয়।
রব এনড্রিল বলেন, আপনি কনটেন্টের জন্য মূল্য পরিশোধ না করলে ভালো মানের কনটেন্ট পাবেন না। শুধু লাইক পেলে তো আর তা কাজে লাগানো যায় না।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফেসবুক দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের মধ্যে বিরক্তি সৃষ্টি করছে। ফেসবুকের প্রাইভেসি বিষয়ক নীতিমালা নিয়ে মানুষ সমালোচনা করছে। ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নিয়ে মানুষের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও ফেসবুকের বিতর্কিত গবেষণার মতো অনেক বিষয়ও রয়েছে।
ফেসবুকে প্রায় ১৩০ কোটি ব্যবহারকারী আছেন। মোবাইল ফোন থেকে এই সাইটে মানুষ বেশি সময় কাটায় বলে বিজ্ঞাপনদাতারাও ফেসবুকে টাকা ঢালেন। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটারের মতে, ফেসবুকের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ভবিষ্যতে আরও বাড়ছে। ফেসবুকের পাশাপাশি মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট টুইটারও ডিজিটাল বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। মার্কেটিং টুল হিসেবে এখন ফেসবুক ও টুইটারকে কাজে লাগাচ্ছেন অনেকেই।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট তৈরি করে নতুন উদ্যোক্তারাও অর্থ আয় করতে চান, তবে তাঁদের লক্ষ্য হচ্ছে যাঁরা এই সাইটে সময় দিয়ে পোস্ট লিখবেন তাঁরাও যেন হাতখরচটা অন্তত পান।
বোনজো মি সাইটটির এক ব্যবহারকারী বলেন, ‘আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি যেখানে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে আপনার লেখা যেকোনো পোস্ট ভাইরাল হয়ে যেতে পারে আর এর সুবাদে হাতে কিছু অর্থও চলে আসতে পারে।

Tuesday, September 2, 2014

ইন্টারনেট গতি কার কেমন

ইন্টারনেটের গতি মাপার স্পিডটেস্ট নামের অনলাইনভিত্তিক প্রোগ্রামটি দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহারকারীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। ব্রডব্যান্ড অথবা তারহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আসলে ঠিক কী পরিমাণ গতি ব্যবহারকারীদের সরবরাহ করছে, সেটা সহজে দেখা যায় এ টুলটি দিয়ে। ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার বা ব্রাউজার থেকে নিজেদের ইন্টারনেট ব্যবহারের গতি সরাসরি অনলাইনে তো মাপা যায়ই, অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস কিংবা উইন্ডোজ স্মার্টফোনের জন্য স্পিডটেস্টের রয়েছে আলাদা আলাদা অ্যাপ। ফলে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রেও অ্যাপটি নামিয়ে ইন্টারনেটের গতি মাপা যাবে। এর পাশাপাশি গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য নির্দিষ্ট একটি অ্যাপ ছেড়েছে স্পিডটেস্ট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবার ক্রোম ব্রাউজার খোলার পর অথবা যখনই মনে হবে ইন্টারনেটের গতি কম পাচ্ছেন তখনই গতিটা পরখ করতে পারবেন হালকা-পাতলা সংস্করণের এই অ্যাপ দিয়ে। যেকোনো ব্রাউজার থেকে অনলাইনে গতি মাপতে চাইলে সরাসরি http://sh.st/tZgGl  নামের এই ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে সেটা করতে পারবেন। শুধু ক্রোম ব্রাউজারের জন্য স্পিডটেস্টের নির্দিষ্ট অ্যাপটি ইনস্টল করা যাবে http://sh.st/tZgNn ঠিকানা থেকে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা ট্যাব ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপটি নামানো যাবে http://sh.st/tZhqIএই ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে। এভাবে স্পিডটেস্টের মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে তথ্য নামানো এবং পাঠানো উভয় ক্ষেত্রের জন্য বর্তমান গতিটা গণনা করা যাবে।

Wednesday, August 27, 2014

সহজে সবজি


ভাজি বা চচ্চড়ি আর কত। সবজির স্বাদ নিন আরও নানাভাবে। সবজি রান্নার সহজ কিছু রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম।
দই সবজি সালাদদই সবজি সালাদ
উপকরণ: টকদই আধা কাপ, শশা আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, সেদ্ধ আলু আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, বেল পেপার আধা কাপ, শুকনা মরিচ বা কাঁচা মরিচ ২টা, পুদিনা কুচি ২ টেবিল চামচ, বিট লবণ ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, লেবুর রস আধা চা-চামচ, টোফু পছন্দমতো।
প্রণালি: টকদই পানি ঝরিয়ে নিতে হবে অথবা ঘন টকদই নিতে হবে। শশা, গাজর, টোফু, আলু (সেদ্ধ), বেলপেপার ছোট ছোট কিউব আকারে কেটে নিতে হবে। বিট লবণ ও লেবুর রস ছাড়া বাকি সব উপকরণ মেখে ফ্রিজে রেখে দিন। লেবু ও বিট লবণ মেখে ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
গ্রিলড সবজিগ্রিলড সবজিউপকরণ: ক্যাপসিকাম ১টা, লাল বেল পেপার ১টা, হলুদ বেল পেপার ১টা, পেঁয়াজ (বড়) ২টা, টোফু ৩৬০ গ্রাম (৮-১০ টুকরা), টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, চাট মসলা ১ চা-চামচ, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চা-চামচ (স্বাদমতো), চিনি সামান্য, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কয়েকটা, লাল মরিচ বাটা আধা চা-চামচ, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি: ক্যাপসিকাম, বেল পেপার, পেঁয়াজ, টোফু কিউব আকারে বড় করে কেটে নিতে হবে। টমেটোর সস, চাট মসলা, তেঁতুল, চিনি, লবণ, বাটা লাল মরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার সব সবজি এর সঙ্গে মাখতে হবে। শাশলিক কাঠিতে সব সবজি একটার পর একটা ঢুকিয়ে নিতে হবে। গ্রিল প্যানে সরষের তেল ১ টেবিল চামচ দিতে হবে। সবজিতে লেবুর রস দিয়ে তেল ব্রাশ করে গরম গ্রিল প্যানে দিতে হবে। ৪-৫ মিনিট পর একপাশ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে। অপর পাশ হয়ে গেলে নামাতে হবে।
সবজি কাঠি কাবাবসবজি কাঠি কাবাব
উপকরণ: বিভিন্ন রকম সবজি (গাজর, ফুলকপি, পেঁপে) ২ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, রোস্টেড জিরা গুঁড়া ১ চা–চামচ, রোস্টেড ধনে গুঁড়া আধা চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, সেদ্ধ আলু আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ কুচি ২ চা-চামচ, ডিম ১টা।
প্রণালি: আলু সেদ্ধ করে চটকে নিতে হবে। বাকি সব সবজি সেদ্ধ করে ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে বেটে নিতে হবে। পেঁয়াজ লাল করে ভেজে নিতে হবে। জিরা ও ধনে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে কাবাব বানিয়ে ডিমে গড়িয়ে কাঠিতে ঢুকাতে হবে। অল্প তেলে ভেজে নিন।
সবজির স্প্রিং রোলসবজির স্প্রিং রোলউপকরণ: বাঁধাকপির পাতা ১০-১২টা, গাজর ১ কাপ, ফুলকপি আধা কাপ, আলু আধা কাপ, বরবটি আধা কাপ, সিমলা মরিচ ১টা, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, কালো গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ, ওরিগানো ১ চা-চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: বাঁধাকপির পাতা লবণ দিয়ে পাঁচ মিনিট সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ১ টেবিল চামচ তেলে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে সব সবজি ও মসলা দিয়ে ভেজে নিতে হবে। এবার সবজি পুর প্রতিটি সেদ্ধ বাঁধাকপির পাতায় মুড়িয়ে রোল বানাতে হবে। এভাবেই পরিবেশন করতে পারেন। অথবা চাইলে ডিম–ময়দার ব্যাটার বানিয়ে তা দিয়ে ভেজে নিতে পারেন।
বিন সালাদবিন সালাদউপকরণ: নানা রকম বিন ১ কাপ, কাবুলি বুট আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, সিমলা বা কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, টমেটো (কিউব করে কাটা) আধা কাপ, চাট মসলা ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: বিন ও কাবুলি বুট পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে সালাদ তৈরি করতে হবে।

বেকড সবজিবেকড সবজিউপকরণ: কাঁকরোল ৭-৮টা, ফুলকপি, আলু, গাজর, বরবটি, মটরশুঁটি দেড় কাপ, আদা কুচি ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ, সিমলা মরিচ ১ চা-চামচ, অরিগানো ১ চা-চামচ।
প্রণালি: কাঁকরোলের বাইরের অংশ পরিষ্কার করে নিতে হবে। ওপর থেকে কেটে ভেতরের অংশ (বিচির অংশ) পরিষ্কার করে নিতে হবে। অন্য সব সবজি ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। কাঁকরোলে সামান্য লবণ ও অলিভ অয়েল মেখে নিতে হবে। বাকি সব উপকরণ সবজির সঙ্গে মেশাতে হবে। প্রি-হিটেড ওভেনে ১২০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপে ৩০ মিনিট বেক করতে হবে।

মেদ কমাতে ম্যাসাজ


শরীরের অতিরিক্ত ওজন এবং বাড়তি মেদের কারণে আপনি থাকতে পারেন বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিতে। আর বাড়তি মেদ সৌন্দর্যেরও অন্তরায়। তাই মেদ কমাতে অনেকেই নিয়ে থাকেন নানান উদ্যোগ। কেউ কেউ আবার বডি মাসাজের মাধ্যমে মেদ কমাতে চান। আসলেই কি এতে উপকার হয়? জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞদের মতামত।
পারসোনা হেলথের প্রধান প্রশিক্ষক ফারজানা খানম বলেন, ‘বডি শেপিং বা টোনিংয়ের জন্য ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে কার্ডিও অ্যাকটিভিটির পর বডি ম্যাসাজ করালে তা বেশ উপকারে আসে।’
ফারজানা আরও জানালেন, কিছুদিন ব্যায়াম করার পর ওজন কমলে যখন চামড়ায় কিছুটা ঢিলে ভাব চলে আসে, তখন শরীরের আকার ঠিক করার জন্য স্ট্রেংথ অ্যাকটিভিটি করতে বলা হয়। এরপর কার্ডিও অ্যাকটিভিটির পালা। কার্ডিও অ্যাকটিভিটি করলে শরীর কিছুটা উত্তপ্ত হয়। এই উত্তপ্ত অবস্থায় বডি ম্যাসাজ নেওয়া যেতে পারে।
আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বলেন, ‘বডি ম্যাসাজের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমানো যেতে পারে। এর ফলে রক্তসঞ্চালনও ভালো হয়। তবে ওজন কমাতে ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই।’
বডি ম্যাসাজ সম্পর্কে তাঁর পরামর্শ—
 নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলে গোলমরিচ দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। এ মিশ্রণটি দুই দিন রেখে দেওয়ার পর ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এটি দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে।
 বডি ম্যাসাজ করতে অবশ্যই অন্য কারও সাহায্য নিতে হবে। নিজেই নিজের বডি ম্যাসাজ করা যাবে না। কারণ, ম্যাসাজ করতে যথেষ্ট পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করা প্রয়োজন, যা নিজে নিজে করা সম্ভব নয়। 
 পেট, পিঠ ও ঊরুতে ম্যাসাজ করা যেতে পারে।
 শরীরের কোনো হাড়ের ওপর সরাসরি ম্যাসাজ করা ঠিক নয়।
 বডি ম্যাসাজের পর স্টিম নেওয়া যেতে পারে। স্টিম নেওয়ার পর গোসল করা ভালো।
 অল্প কিছুদিন ম্যাসাজ করালে তেমন কোনো উপকার হবে না। তিন মাস ধরে ম্যাসাজ নিলে উপকার পাবেন। সপ্তাহে দু-তিন দিন করে ম্যাসাজ নিতে হবে।
 বডি ম্যাসাজ নেওয়ার পাশাপাশি অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
 নিজেকে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত রাখুন। মানসিক চাপের কারণে অনেকে বুঝতে পারেন না, কখন বেশি খেয়ে ফেলছেন। এভাবে দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকলে ধীরে ধীরে ওজন বেড়ে যেতে পারে।
 পারলার বা জিমেও ম্যাসাজ করাতে পারবেন।
হট স্টোন পদ্ধতি
ম্যাসাজের জন্য বিশেষ পাথর কিনতে পাওয়া যায়। গরম পানিতে এ পাথর দিলে তা উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। উত্তপ্ত পাথরে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল লাগিয়ে এর সাহায্যেও বডি ম্যাসাজ করা যেতে পারে।
খাদ্য গ্রহণেও চাই সতর্কতা
 খাওয়া শুরু করার ১০ মিনিট আগে পানি পান করুন।
 খাবারের শুরুতে এক বাটি সালাদ খান।
 একটি থালার এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ ভাত খান। এর সঙ্গে রাখুন থালার এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ আমিষজাতীয় খাবার। আর অর্ধেকটা থালার সমান সবজি খান।
 খাওয়া সেরেই বসা বা শোয়া যাবে না। খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট পায়চারি করুন।
 খাওয়ার সময় কথা বলা, বই পড়া এবং টেলিভিশন দেখা ঠিক নয়। এগুলো করতে থাকলে আপনি বেশি খেয়ে ফেলছেন কি না, তা খেয়াল রাখা কঠিন হয়ে যাবে আপনার জন্য।

অলইনওয়ান অ্যান্ড্রয়েড পিসি বাজারে


সম্প্রতি বাজারে এসেছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.২ জেলিবিন অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর এইচপি ব্র্যান্ডের অলইনওয়ান পিসি। অ্যান্ড্রয়েডপ্রেমীদের জন্যই এইচপি স্লেট ২১কে১০০ মডেলের বিশেষ এই পিসি দেশের বাজারে বিপণন করছে স্মার্ট টেকনোলজিস।

বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, যাঁরা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তাঁদের জন্য দারুন উপযোগী এই অল ইন ওয়ান পিসিটি। এতে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর গেম খেলার বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে।

এইচপির এই পিসিতে রয়েছে এনভিডিয়া টেগরা কোয়াড কোর প্রসেসর, এক জিবি ডিডিআরথ্রি র্যাম, ৮ জিবি ফ্ল্যাশ মেমোরি।

২১.৫ ইঞ্চি মাপের টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে সুবিধার পিসিটির দাম ৩২ হাজার ৫০০ টাকা। পিসিটির সঙ্গে এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা দেবে বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানটি।

গিগাবাইট গেম প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনের সুযোগ

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ই-বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে শুরু হয়েছে গিগাবাইট গেমিং প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন। সব বয়সীদের জন্য উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন খরচ ৩৫০ টাকা। কম্পিউটার জগতের ওয়েবসাইট থেকে গেমে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করা যাবে।

ই-বাণিজ্য মেলায় গিগাবাইট গেমিং ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজক অর্পণ কমিউনিকেশন ও অ্যাম্বেলা ম্যানেজমেন্ট। আগামী ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহবাগের বেগম সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে শুরু হতে যাচ্ছে ই-কমার্স মেলা। এই মেলার আয়োজন করছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ম্যাগাজিন কমপিউটার জগত্। মেলায় দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য এবং সেবাসমূহ দর্শনার্থীদের কাছে তুলে ধরবে। 

প্রদর্শনী ছাড়াও মেলায় থাকছে সেমিনার, কর্মশালা, অ্যাওয়ার্ড নাইট, ই-ডাইরেক্টরি প্রকাশ এবং গেমিং প্রতিযোগিতাসহ নানা আকর্ষণ। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।

ই-বাণিজ্য মেলায় গিগাবাইট গেম প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা দল তৈরি করে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কম্পিউটার জগত্-এর সাইট থেকে নিবন্ধন শেষে প্রত্যেক গেমার একটি করে আইডি পাবেন। মেলা চলার সময়ে নির্দিষ্ট দিনে তাঁরা গেমিং জোনে ঢুকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।

মেলা উপলক্ষে গিগাবাইট গেমিং কুইজ প্রতিযোগিতাও অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে নতুন কুইজ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন করে বিজয়ী লটারির মাধ্যমে বিজয়ী হবেন।

Image

Free Updates to Email
Follow Me:
facebook twitter gplus pinterest rss
https://www.facebook.com/rubel29bd