বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

বিনামূল্যে আসল মাষ্টার কার্ড নিয়ে নিন!!

সুবিধাগুলো ০১. ১০০% আসল মাষ্টার কার্ড আপনার কাছে পাঠানো হবে। ০২. প্রায় সকল ওয়েবসাইটে কেনাকাটা করতে পারবেন (যেমন hostgator, namecheap, godaddy, amazon etc)

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, November 15, 2014

মানুষের বন্ধু তেলাপোকা

তেলাপোকা একটি বিরক্তিকর প্রাণী তা মোটামুটি সবাই স্বীকার করবেন। আর এই বিরক্তি থেকে মুক্তি দিতে অনেক প্রতিষ্ঠান তেলাপোকা নিধনের বিভিন্ন ঔষধ বাজারে এনেছে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর বাজারজাতকরণের মাধ্যমে ভোক্তাদের ঘরের সামনে পৌছে যাচ্ছে তেলাপোকা নিধনকারী ঔষধ। কিন্তু একদল গবেষক বলছেন, তেলাপোকাকে হত্যা না করার জন্য। কিন্তু কেন?
প্রকৃতির বিরুপতার মাঝেও তেলাপোকা টিকে থাকতে পারে। তেলাপোকার এই স্বাভাবিক টিকে থাকার ক্ষমতাকেই কাজে লাগাতে চান গবেষকরা। ধ্বংসস্তুপ বা দুর্যোগ প্রবন এলাকায় আটকে পরা মানুষকে উদ্ধারে গবেষকদের ভাষায় তেলাপোকা হতে পারে কার্যকরী ত্রাতা। সম্প্রতি একদল গবেষক তোলাপোকার শরীরে ছোটো একটি ইলেকট্রিকাল ব্যাকপ্যাক বসিয়ে দিয়েছেন। আর এই ইলেকট্রিক ব্যাগপ্যাকের মধ্যে আছে মাইক্রোস্কোপ ক্যামেরা এবং শব্দ রেকর্ড করার ক্ষুদ্র ডিভাইস। যার মাধ্যমে তেলাপোকাকে পাঠানো যাবে এমন সব জায়গায় যেখানে চাইলেও মানুষ প্রবেশ করতে পারে না।
নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলপার বুজকার্ট এবিষয়ে বলেন, ‘একটি ধসে পরা দালান থেকে মানুষকে উদ্ধার করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দ। আমাদের লক্ষ্য হলো ওইসব স্থানে তেলাপোকাকে কাজে লাগানো। তাদের পিঠে বসানো মাইক্রোফোন থেকে খুব সহজেই মানুষের উৎপাদিত শব্দ এবং অন্যান্য বস্তুর শব্দ পৃথক করা যাবে। মনুষ্যসৃষ্ট শব্দ চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে খুব সহজেই বাঁচানো যাবে আটকে পরা মানুষটিকে।’

Sunday, October 26, 2014

প্রেমিকের গতিবিধি নজরদারিতে 'বয়ফ্রেন্ড ট্র্যাকার' অ্যাপ

আপনার ছেলেবন্ধুটি কখন কোথায় যায়? কার সঙ্গে আলাপ করে এবং কার সঙ্গে কি সম্পর্ক? যাদের মনে এরকম সংশয় রয়েছে, তাদের জন্য সুখবর! সম্প্রতি ব্রাজিলের এক নির্মাতা মোবাইল ফোনের এরকমই একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন। ইতিমধ্যে নিজের বয়ফ্রেন্ডের তথ্য গোপনে জানতে অনেকেই ব্যবহার করছেন এই 'বয়ফ্রেন্ড ট্র্যাকার' অ্যাপ। অবশ্য এই অ্যাপ নিয়ে চলছে ব্যাপক বিতর্ক!
বিতর্ক মূলত ব্রাজিলে। কারণ সেখানেই দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে 'বয়ফ্রেন্ড ট্র্যাকার'। অবস্থা বেগতিক দেখে গুগল তার স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে ফেলেছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, এই অ্যাপটি গোপনীয়তা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করছে!
নির্মাতা মাথিয়ুস গ্রিজোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই মাস আগে প্রকাশ করা হয় অ্যাপটি। আর এরই মধ্যে পঞ্চাশ হাজারের মতো মানুষ সেটি ব্যবহার শুরু করে ফেলেছে।
বছর ৪৭-এর মারেসিয়া আলমাইদার, রিও ডি জানিরোর বাসিন্দা। তিনি বলেন, 'ব্রাজিলীয়রা খুব কুচুটে স্বভাবের। নিঃসন্দেহে অ্যাপটি এখানে জনপ্রিয়তা পাবে'। বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে সাত বছর আগে নিজের স্বামীকে ত্যাগ করেছেন আলমাইদার। তিনি এই অ্যাপের কার্যক্রমকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) নজরদারির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, 'এটি একটি ভিন্ন ধরনের গোয়েন্দাগিরি। আপনি আপনার ঘনিষ্ঠ একজনের ওপর নজরদারি করছেন, অপরিচিত কারুর ওপরে নয়।'
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, গ্রিজোর এই উদ্ভাবন ব্যক্তিগত গোপনীয়তাবিষয়ক আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে। তা ছাড়া ছেলেবন্ধুর ওপর নজরদারির বিষয়টি হাস্যকর হলেও বিপজ্জনক কাজেও অ্যাপটি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে দাবি করছেন তারা। বিশেষ করে এটি একজন ব্যক্তির অবস্থান তাঁর নিজের অজান্তেই অন্যকে জানাতে পারে। যাঁর ওপর নজর রাখা হচ্ছে তাঁর মোবাইলে আসা বা মোবাইল থেকে যাওয়া বার্তা অন্য কোনো ফোনে ফরওয়ার্ড করা যেতে পারে। যে ফোনে এই অ্যাপটি সেটআপ করা হয়েছে, সেটি ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই নিরবে অন্য কোনো ফোনে কল করতে পারে। এতে করে নজরে থাকা ব্যক্তির কথোপকথনও অন্য কেউ শুনতে পারবে।
ডেভেলপার গ্রিজো অবশ্য মনে করেন, তাঁর অ্যাপ কোনো ধরনের গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করছে না। তাই গুগল তাদের স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে ফেললেও গ্রিজোর ওয়েবসাইটে সেটি এখনো রয়েছে।
বোঝা যাচ্ছে না অ্যাপটির ভবিষ্যৎ কি দাঁড়াবে। তবে আর যাই হোক এটি কারো জীবনে হাস্যরস যোগানো থেকে শুরু করে মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনতে পারে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই

২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত। ফলাফল জানতে এখানে আসুন

২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল আজ ২৬/১০/২০১৪ তারিখ রোববার দুপুরে প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করেন।
পাশের হারঃ এবার পাসের হার প্রায় ৩৪ শতাংশ। এ বছর সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় প্রথম স্থানে উঠে আসা প্রার্থীর স্কোর ১৮১ দশমিক ৫০। আর সর্বনিম্ন স্কোর ১৫৮ দশমিক ২৫। প্রকাশিত ফলাফল এখান থেকেই দেখা যাচ্ছে।

মুঠোফোনে মেডিকেলের ফলাফল দেখার নিয়মঃ

মুঠোফোনে মেডিকেলের ফলাফল জানার জন্যে এস.এম.এস করার কোন প্রয়োজন নেই। যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টেলিটক থেকে ওয়েলকাম জানিয়ে ফলাফল পৌঁছে যাবে।
অনলাইনে ফলাফল দেখার ঠিকানাঃ
অনলাইনে ফলাফল দেখতে হলে ভিজিট করতে হবে এই ঠিকানায়ঃ  dghs.teletalk.com.bd/mbbs/options/result.php 
অন্যান্য তথ্যঃ গত ২৪ অক্টোবর শুক্রবার সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা। ২৩টি কেন্দ্রের ৩৫টি ভেন্যুতে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এবার দেশের সরকারি ও বেসরকারি মোট ৮৫টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের মোট ১০ হাজার ২৯৯টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ৬৯ হাজার ৫০১ জন শিক্ষার্থী।
দেশের ২৯ সরকারি মেডিকেল কলেজে ৩ হাজার ১৬২টি এবং ৯টি ডেন্টাল কলেজে ৫৩২টি আসন রয়েছে। এ ছাড়া ৫৬টি বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে আসনসংখ্যা যথাক্রমে ৫ হাজার ৩২৫ এবং ১ হাজার ২৮০।
এ বছর থেকে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ২০ থেকে বাড়িয়ে ৪০ করা হয়েছে।

Friday, September 19, 2014

সেরা পিটিসি সাইট

আপনি চাইলে এখন থেকেই শুরু করতে পারেন।
http://www.akvebux.com/?ref=rubel9bd

Tuesday, September 16, 2014

দেখে নিন প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-2014


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
পদের নাম- সহকারী শিক্ষক     
                                                                                                                                                                            আবেদন শুরু- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ( সকাল ১০:৩০ মিনিট )
আবেদন শেষ- ১৮ অক্টোবর ২০১৪ ( রাত ১১:৫৯ মিনিট )
শিক্ষাগত যোগ্যতা->>>>>>
পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে-
কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হইতে নূন্যতম দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণী/সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমান ডিগ্রী।
মহিলা পার্থীদের ক্ষেত্রে-
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/সমমান জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা স্নাতক বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
< বেতনক্রম >>>>>>>>
ক) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
বেতনস্কেল: টাকা ৫২০০-৩২০x৭-৭৪৪০-ইবি-৩৪৫x১১-১১২৩৫/-
(জাতীয় বেতনস্কেল ২০০৯ অনুযায়ী)
ক) প্রশিক্ষণবিহীন
বেতনস্কেল: টাকা ৪৯০০-২৯০x৭-৬৯৩০-ইবি-৩২০x১১-১০৪৫০/-
(জাতীয় বেতনস্কেল ২০০৯ অনুযায়ী)
আবেদনের জন্য প্রবেশ করুন-http://www.dpe.gov.bd/site/notices/ec567210-b717-47be-8876-50393726fb45

ঘরে বসে আয়-২


ফ্রিল্যান্সিং করে এদেশের অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেকেরই নতুন এ ক্ষেত্রটির প্রতি আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বিষয়টি কী এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়। পাঠকদের কাছে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজভাবে তুলে ধরতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের আদ্যোপান্ত। আজকে রইল এর প্রতিবেদনটির দ্বিতীয় পর্ব।
প্রথম পর্ব পড়ুন: ঘরে বসে আয়
মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইলবর্তমানে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে বড় ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। মার্কেটপ্লেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ভালো প্রোফাইল তৈরি করা। যোগ্যতা প্রমাণের জন্য প্রোফাইলকে আকর্ষণীয় করে তৈরি করা যায়। প্রোফাইলে তৈরির ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে
১. হাসিমুখে তোলা একটি ছবি যেখানে আপনার চেহারা পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
২. স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ভালো। ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসে প্রচুর স্কিল টেস্ট বিনা খরচেই দেয়া যায়। স্কিল টেস্ট দেয়া থাকলে ক্লায়েন্ট বুঝবেন যে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নতুন অথবা অভিজ্ঞ যা-ই হন না কেন কাজে আপনার দক্ষতা রয়েছে।
৩. পোর্টফোলিও আইটেম যোগ করা উচিত। পোর্টফোলিও আইটেম হিসেবে নিজের তৈরি লোগো, নিজের বানানো ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট, ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা কোনো প্রেজেন্টেশন, কোনো সার্টিফিকেটের স্ক্যান করা ইমেজ ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে। এর সাথে যদি স্কিল টেস্ট থাকে, তাহলে ক্লায়েন্ট জেনে যাবেন যে আপনার শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান আছে তাই নয়, তার সাথে প্র্যাকটিক্যাল কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে। আকর্ষণহীন একটি ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল তৈরি করে কাজে আবেদন করলে ক্লায়েন্টরাও সাড়া দেবে না।
কোন ধরনের কাজের জন্য আবেদন করবেন?
কোনো একটা জব ওপেন করে জবের ডান পাশে দেখবেন বায়ারের তথ্য দেওয়া আছে। যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড নট ভেরিফাইড লেখা সেসব বায়ারের কাজের জন্য আবেদন করবেন না। পেমেন্ট মেথড ভেরিভাইড থাকলে তবে আবেদন করবেন।

ক্লায়েন্টের কাছে কাজের জন্য আবেদন করা
যখন কোনো কাজে/জবে আবেদন করবেন অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন আপনার লেখার ধরন প্রফেশনাল হয়। কখনোই কপি-পেস্ট করে আবেদন পাঠাবেন না। এটা করলে কাজ পাওয়া দুরূহ তো হবেই বরং অনেক ক্লায়েন্ট আপনার লেটার স্প্যাম হিসেবে মার্ক করলে মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টটি হারাতে পারেন। যেটা করা উচিত সেটা হলো প্রতিটি জব ভালোভাবে পড়ে তারপর চিন্তা করে গুছিয়ে একটি লেটার লিখে পাঠানো। এ ক্ষেত্রে আপনি একটি ফরম্যাট ফলো করতে পারেন, যেমন:
Hello, Good Day, Good Morning অথবা Evening, ইত্যাদি দিয়ে শুরু করতে পারেন। Dear Sir/Madam, Dear Manager, ইত্যাদি দিয়ে শুরু না করাই ভালো।
তারপর এক লাইনে আপনি তার কাজের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন, এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট বুঝবে আপনি তার জবটি পড়েছেন। তারপর ২-৩টি লাইন লিখুন আপনার কোন দক্ষতা তার প্রজেক্টে কাজে আসবে এবং কেন।র ৪-৫টি বুলেট পয়েন্ট করে লিখুন আপনি তার কাজটি পেলে কী কী ধাপে করবেন।
আপনি কোন ফাইল এটাচ (যুক্ত) করে থাকলে উল্লেখ করুন। সর্বশেষে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার লেটার শেষ করুন।
এভাবে একটি ফরম্যাট ফলো করলে দেখবেন কখনই কপি-পেস্ট করতে হবে না। তবে হ্যাঁ, দুটি ব্যাপার কখনই করবেন না। একটা হলো লেটারে নিজের ই-মেইল অথবা যোগাযোগের কোনো আইডি উল্লেখ করবেন না এবং কখনই আপনাকে যেন কাজটি দেয় এটা নিয়ে জোর করবেন না। তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে পেশাদার নাও ভাবতে পারে। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের পারিশ্রমিক চাইবেন।
সাক্ষাত্কার
চাকরির বিজ্ঞাপন পড়ে আমরা কী করি? আমরা সেই বিজ্ঞাপন পড়ে ভালো লাগলে সেই চাকরির জন্য জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) পাঠাই।  আউটসোর্সিং সাইটেও যখন কোনো জব পোস্ট করা হয়, তখন অনেকেই আবেদন করেন। তাদের মধ্য থেকে বায়ার কয়েকজনকে সাক্ষাত্কারের জন্য বলেন।  তারপর একজন বা দুইজনকে নিয়োগ (হায়ার) দেয় মানে কাজটি করতে দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকেই বলে বিডিং বা বিড করে কাজ পাওয়া।  বায়ার আপনার কভার লেটার এবং প্রোফাইল দেখে পছন্দ করলে আপনাকে মেসেজ দিয়ে ইন্টারভিউ নেবে। আপনিও মেসেজ দিয়ে উত্তর দেবেন। আপনাকে ওই আউটসোর্সিং সাইটেই মেসেজ দেবে যে আপনি আগে কখনো এ ধরনের কাজ করেছেন কি না, কাজটি কত দিনে করতে পারবেন, কত ডলারের বিনিময়ে করে দেবেন ইত্যাদি। আপনিও ওই সাইটেই মেসেজ দিয়ে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন। কোনো কোনো বায়ার স্কাইপের মাধ্যমে চ্যাট করতে চায়। তাই স্কাইপে (www.skype.com) একটা অ্যাকাউন্ট খুলে নেবেন। তারপর আপনাকে পছন্দ হলে বায়ার কাজটি করতে দেবে মানে জবটিতে আপনাকে হায়ার (Hire) করবে। জবটি অ্যাকটিভ হবে। তখন আপনার কাছে নোটিফিকেশন আসবে Your contract Job Name started. তারপর কাজ শুরু করবেন। 
কীভাবে কাজ করবেন?
আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে দুই ধরনের জব আছে। জব আছে দুই ধরনের। আওয়ারলি এবং ফিক্সড প্রাইস। আওয়ারলি জবগুলো আপনার ইচ্ছেমতো করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার পর বায়ার কাজগুলো দেখে আপনাকে পেমেন্ট দেবেন। আর আওয়ারলি জবের ক্ষেত্রে টাইম ট্র্যাকার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নেবেন । এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর ওপেন করে সাইন-ইন করে যে জবটি করতে চান সেটি নির্বাচন করে Start বাটনে ক্লিক করবেন। তাহলে ওই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনার কাজের সময় গণনা শুরু হবে। ওই সফটওয়্যারটি কিছুক্ষণ পরপর আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেবে। ঘণ্টায় ৬টির মত। সময় গণনার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার ওই স্ক্রিনশটগুলো দেখে বুঝতে পারবে আপনি কাজ করেছেন কি না। কাজ শেষ হওয়ার পর বায়ার যখন আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি শেষ করবেন তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে Buyer Name ended your contract Job Name. তখন বায়ার আপনাকে একটি ফিডব্যাক দেবেন এবং আপনিও বায়ারকে একটি ফিডব্যাক দেবেন। সর্বোচ্চ ৫-এর মধ্যে আপনি বায়ারকে মার্ক দেবেন এবং বায়ার আপনাকে তা দেবেন। কেউ কারোরটা আগে দেখতে পাবেন না। দুই জনে (কনট্রাক্টর এবং বায়ার) ফিডব্যাক দিলেই কেবল একজন অন্য জনেরটা দেখতে পাবেন। কেউ একজন ফিডব্যাক না দিলে বা উভয়েই না দিলে ১৪ দিন পর একজন অন্যজনের ফিডব্যাক দেখতে পাবেন। ১৪ দিন পার হয়ে গেলে আর ফিডব্যাক দেওয়ার সুযোগ থাকে না। আপনি বায়ারের সাথে কাজ করার সময়ই বুঝতে পারবেন আপনার সাথে বায়ারের সম্পর্ক কেমন এবং বায়ার আপনাকে কেমন ফিডব্যাক দিতে পারেন।  ভালো ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে বেশি কাজ পেতে সুবিধা হয়। বাজে ফিডব্যাক পেলে পরবর্তী সময়ে ভালো কাজ পেতে সমস্যা হয়। তবে আপনি ইচ্ছা করলে ওই বাজে ফিডব্যাক মুছে ফেলতে পারবেন। বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দেওয়ার পর সেই পেমেন্ট এক সপ্তাহের মতো পেনডিং (Pending)-এ থেকে তারপর আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
অর্থ তোলার পদ্ধতি
অনেক কাজ করেছেন। আপনার অ্যাকাউন্টে অনেক ডলার জমা হয়েছে। এখন সেগুলো তুলে আনবেন কীভাবে? অর্থ উত্তোলনের অনেকগুলো পেমেন্ট মেথড বা উপায় আছে। আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো অয়্যার ট্রান্সফার (Wire Transfer)।
অয়্যার ট্রান্সফার পদ্ধতি
অয়্যার ট্রান্সফার হলো অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে ডলার ট্রান্সফার করা। এর জন্য বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
পাইওনিয়ার মাস্টারকার্ড পদ্ধতি
অর্থ উত্তোলন করার আরেকটি সহজ পদ্ধতি হলো Payoneer Debit Card। তবে এটি একটু ব্যয়বহুল।

গুগল আনল অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন


অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ব্র্যান্ডের কম দামে নতুন একটি স্মার্টফোন বাজারে এসেছে। গুগলের এ ব্র্যান্ডের নতুন এই স্মার্টফোন ভারতের বাজারে চালু হয়েছে। স্থানীয় নেটওয়ার্ক-সুবিধা ব্যবহার করে অ্যান্ড্রয়েডের হালনাগাদ সংস্করণ নামানোর পাশাপাশি নতুন নতুন অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও উন্নত সুবিধা যাতে পাওয়া যায়, সেই চিন্তা থেকে ভারতের বাজারে চালু হলো এ স্মার্টফোন। এ ছাড়া সাশ্রয়ী দামে ভালো মান ও ইন্টারনেট-সুবিধার ফোন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এটি বাজারে ছাড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড বিভাগের প্রধান সুন্দর পিশাই বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোয় আপাতত অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান ফোন ছাড়ার তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। তবে শিগগিরই ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বাজারে এই ফোন পাওয়া যাবে।
স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ওয়ান প্রকল্পের মাধ্যমে বাজারে আনা হয়েছে। এর নিরাপত্তা থেকে শুরু করে হালনাগাদ ও সফটওয়্যার-সংক্রান্ত সব দায়িত্ব নেবে গুগল। ভারতের বাজারে নতুন এ স্মার্টফোন প্রস্তুত করে দিচ্ছে মাইক্রোম্যাক্স, স্পাইস ও কার্বন। এতে রয়েছে ৪.৫ ইঞ্চি পর্দা, ১ গিগাবাইট র্যা ম, ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সামনে ২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, কোয়াড কোর প্রসেসর। গুগল জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েডের এই স্মার্টফোনে এফএম রেডিওর অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যই থাকবে। দাম হবে ১০০ ডলারের মধ্যে।
—বিবিসি ও দ্য টেলিগ্রাফ অবলম্বনে কাজী আলম

Image

Free Updates to Email
Follow Me:
facebook twitter gplus pinterest rss
https://www.facebook.com/rubel29bd